আজহার মাহমুদ (গণপরিবহনে যত অনিয়ম)

বৃহস্পতিবার , ১৭ মে, ২০১৮ at ৫:০৬ পূর্বাহ্ণ
9

 : জনগণের স্বার্থে গণপরিবহন। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য একমাত্র অবলম্বন হচ্ছে গণপরিবহন। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ অতটা বিত্তশালী নয়, চাইলেই সবাই একটা করে প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবে। গণপরিবহনে নৈরাজ্য নতুন কিছু নয়। এই সেক্টরে শৃঙ্খলা ছিলএমন কথা জোর দিয়ে বলার উপায় নেই। রাস্তায় সিটিং সার্ভিস, বিরতিহীন সার্ভিস, স্পেশাল সার্ভিসসহ আরও কত বাহারি নামের বাস চলাচল করে। এসব পরিবহনের মান কতটুকু, তা কমবেশি সবার জানা। এখানে সবচেয়ে বড় অনিয়ম করা হচ্ছে অদক্ষ ড্রাইভারহেলপার নিয়োগ দিয়ে। অধিকাংশ ড্রাইভার কিংবা হেলপারের কোনো বৈধ লাইসেন্স থাকে না। অনেক ড্রাইভার আবার নেশাগ্রস্ত থাকে। ফিটনেস নিয়েও সমস্যা রয়েছে। এতসব সমস্যার পরও সবার নাকের ডগায় চলাচল করছে এসব পরিবহন। আইন আছে, ট্রাফিক পুলিশও আছে কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই।

বর্তমানে যে বিষয়টি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে তা হলগণপরিবহনে নারীর নিরাপত্তাহীনতা। এ সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন না গণপরিবহনে চলাচলকারী নারীরা। গণপরিবহনে আজকাল ধর্ষণের ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে উঠেছে। এ লজ্জা কোথায় রাখব, ভেবে পাই না। গণপরিবহনে নৈরাজ্য ঠেকাতে যাত্রী কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন থাকলেও এটির কোনো তৎপরতা চোখে পড়ে না। এ ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রশাসনের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সরকার এদিকটায় মনোযোগ দিলে পরিবহন সেক্টরের অনিয়ম রোধ করা সম্ভব বলে মনে করি।

x