আল্লামা শাহ আব্দুল মালেক মুহিউদ্দিন আজমী আল-কুতুবী (রহ.)

এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর

সোমবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ at ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ
55

হাদিসে রাসূলের স্পষ্ট ঘোষণা “আনা মদিনাতুল ইলমে ওয়া আলী বাণ্ডবুহা ” (আমি জ্ঞানের শহর আর হযরত আলী (🙂 তার দরওয়াজা।) এতে সহজেই অনুমেয়, মহানবীর (.) জ্ঞানের সুমহান ধারা হযরত আলীর (🙂 মাধ্যমেই বিকশিত।

যুগে যুগে এই বেলায়তী ধারার জ্ঞান বিকাশে গাউসকুতুবঅলিআবদালমোজাদ্দেদ তথা আধ্যাত্মিক সাধকগণ এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় কুতুব শরীফ দরবারের প্রতিষ্ঠাতা প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক, অলিকুল সম্রাট,সুলতানুল আরেফীন, খাতেমুল আউলিয়া, গাউছে মুখতার, মোজাদ্দেদে আখেরুজ্জামান, মুসলিহে আজম, হাজত রাওয়া, মুশকিল কোশা, হজরতুল আল্লামা শাহ আব্দুল মালেক মুহিউদ্দিন আলকুতুবী (রহ) হচ্ছেন অন্যতম দীপ্ত আলোকবর্তিকা। তিনি তাঁর উপর অর্পিত ঐশী দায়িত্ব পালনে নিরলস সাধনা করে গেছেন জীবনের শেষ মুহূর্ত অবধি। তাঁর আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়ায় অনেক পথহারা মানুষ সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছেন। একজন প্রকৃত অলিয়ে কামেল হিসেবে তাঁর হায়াতে জিন্দেগীতে দ্বীনি ইলম চর্চা, মজহাবমিল্লাত ও মানবতার কল্যাণে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন। আল্লাহর অশেষ রহমত ও খাস দয়ায় তাঁর প্রতি কথা ও কাজে কারামত পরিদৃষ্ট হতো। তাঁর চলনবলন, কথাবার্তা রসূলপাক (:)-এর কদমবাকদম ছিল, যা তিনি হামেশাই বলতেন। খোদায়ী প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে অসংখ্য মানুষের কল্যাণ সাধনে রত ছিলেন এ মহান মানবকল্যাণকামী সাধক।

কবির ভাষায়– ”নেগাহে ওলিমে ইয়ে তাছিরো দেখি, বদলতি হাজারো তকদীরো দেখি”।

তারই বাস্তব প্রতিফলন যেন হজরত আল্লামা শাহ আব্দুল মালেক মুহিউদ্দিন আলকুতুবী (রহ:)-এর জীবনী। তাঁর প্রকাশিত অগণিত, অসংখ্য, দুর্বোধ্য কারামতের যৎকিঞ্চিৎ যদি আমার এই প্রবন্ধে উল্লেখ করি, এতে অনেকেই আমাকে হয়তো শিরকের ফতোয়া দিতে উদ্ধত হবেন, তা আমি জানি। এতদসত্ত্বেও যেহেতু আমার শৈশবকৈশোরযৌবনের প্রতিটি পরতে পরতে এ দরবারের মাহাত্ম্যের ছোঁয়া, পারিবারিকভাবেই এ মহান দরবারের সাথে ঘনিষ্ঠতা, আনাগোনা, জানাশুনা ও সম্পৃক্ততার কারণে খুব কাছে থেকে দেখাজানা অনেক অবিশ্বাস্য, অসাধারণ কারামতের চাক্কুষ আমি ও আমার পরিবারবর্গ সহ দরবারে উপস্থিত নানা স্থান থেকে আসা জায়েরীনহাজেরীন ভক্তবৃন্দ । আল্লাহর রাসূল (🙂 এর হাদিস, “আমার উম্মত শিরিক করবেনা। তবে তারা ফ্যাসাদে লিপ্ত হবে।” কিন্তু আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা কথায় কথায় শিরিকের ফতোয়া দিতে কুণ্ঠাবোধ করে না, যা কখনো কাম্য নয়। ইতিপূর্বে আমরা আউলিয়া কেরামের জীবনীতে, নানা প্রকাশনায়, গ্রন্থে, বুজর্গানেদ্বীন ও ওলামায়ে কেরামের বয়ানে, বিভিন্ন দরবারে আনাগোনায় নানাস্তরের ওলীয়ে কামেলদের কারামত প্রকাশের বিষয় অবগত হয়েছি। কিন্তু মানুষ ও মানবতার কল্যাণে অসংখ্য,অবিশ্বাস্য, জীবন্ত কারামতসমূহ দর্শন করে অবাকনির্বাক হয়েছি বহুবার। এ মহান দরবারে হজরত বাবাজান কেবলার সংস্পর্শে এসে তকদির বদলাতে দেখেছি অসংখ্য দোয়া প্রার্থীর। অনেক নিঃসন্তান দম্পতির আর্জির প্রেক্ষিতে সন্তান জন্মের জন্য অব্যর্থ দোয়া সাথে আগাম ভবিষ্যবাণী বাস্তবায়িত হতে দেখেছি। মৃত্যু পথযাত্রী মানুষের হায়াৎ বৃদ্ধির দোয়া’সহ বাকি কত বছর বাঁচবেন তার ভবিষ্যৎবাণী যা অক্ষরে অক্ষরে ফলেছে, এমন অনেক প্রত্যক্ষ দৃষ্টান্ত রয়েছে। অগণিত জটিলকঠিন, দুরারোগ্য রোগাক্রান্ত রোগীর পূর্ণ সুস্থতা কামনায় দোয়া ও উপশম, বহু বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য বিপদমুক্তির দোয়া ও বিপদমুক্তি, অনেক ডুবন্ত নৌযান জানমালসহ উদ্ধার প্রাপ্তি, রাষ্ট্রীয় সংকট উত্তরণে, ক্ষমতার পটপরিবর্তনে তাঁর আধ্যাত্মিক প্রভাব ছিল বিশ্বব্যাপী বিধৃত। বিশেষত: চট্টগ্রামে এমন কোনো পরিবার মেলা ভার, যে পরিবার তাঁর আধ্যাত্মিক প্রভাবপুষ্ট হননি।

তিনি সবসময় জায়েরীন, ভক্তদের বলতেন, “আমার কাছে কে কিজন্য এসেছে,কার কি দরকার, সেটা বলার প্রয়োজন নাই। কারণ কে কি কারণে আমার নিকট এসেছে, সেটা যদি আমার জানা না থাকে, তা হলে আমি কিভাবে আল্লাহর অলি হলাম?” “কারামাতুল আউলিয়ায়ে হাক্কুন”এর যথার্থ প্রতিফলন বাবাজান কেবলার মাঝেই দেখতে পেয়েছি। অথচ তাঁর প্রাত্যহিক জীবনধারণ, আচারআচরণ ছিল একেবারেই সাদাসিধে, সহজসরল, অনাড়ম্বর। বাহ্যিক দৃষ্টিতে তাকে অনেকেই “মজযুব” বলে চিহ্নিত করতে চাইলেও তিনি স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন যে, তিনি “মজযুব” নন। তাঁর ঘোষণামতে, তিনি দুটি রূপের অধিকারী ছিলেন। যার একটি ছিল জামালী ও অপরটি ছিল জালালী রূপ। অনেকেই জেনে অবাক হবেন যে , এই আধ্যাত্মিক সিদ্ধপুরুষ কেবল একজন আধ্যাত্মিক সাধকই ছিলেন তা নয়, তাঁর ছাত্রজীবন, শিক্ষকতা জীবন, বাস্তবিক কর্মমুখর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ছিল অবিশ্বাস্য সাফল্যে দীপ্তমান। ছাত্রজীবনে তিনি কেবল প্রখর মেধাবীই ছিলেন না,তিনি দারুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসা সংসদের জি,এস নির্বাচিত হয়ে তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। এই তীক্ষ্ন মেধাবী শিক্ষার্থী কালক্রমে এ খ্যাতনামা মাদ্রাসায় ছিলেন স্বনামধন্য মুহাদ্দিস। বাবাজান কেবলা তরিকতের একজন কামেল মোকাম্মেল ওলির আসনে সমাসীন হন। হজরত সৈয়দ আজমগড়ি (রহ:)-এর খলিফা, হালিশহর দরবার শরীফের প্রখ্যাত ওলীয়ে কামেল,কুতুবুল এরশাদ হজরত সৈয়দ হাফেজ মুনিরুদ্দীন নুরুল্লাহ (রহ:)-এর হাতে বরকতময় বাইয়াত গ্রহণ করেন। তাঁর মাকাম এত উচ্চস্তরে পৌঁছে যে, আপন মুর্শিদের মহামর্যাদাময় খেলাফতে ধন্য হন। তাঁর মতো এত রেয়াজতে অভ্যস্ত অন্য কাউকে আমি কোনোদিন দেখিনি।

জাগতিক চিন্তাচেতনার প্রেক্ষাপটেও আউলিয়ায়ে কেরামের কারামতগুলো সমজদারদের জন্য সহজবোধ্য। যেহেতু মকবুল ওলীউল্লাহগণ আল্লাহ প্রদত্ত আত্মিক শক্তির অধিকারী হন, সেহেতু তাঁদের দোয়া, আর্জি আল্লাহর দরবারে কবুলে মকবুল হয়ে যায়। হাদীছে কুদছীতে তার সুস্পষ্ট ঘোষণা আছে। আল্লাহ বলেন, “বান্দা যখন আমার অনুগত হয়ে যায়, তখন তার হাত আমার কুদরতের হাত হয়ে যায় যা দিয়ে সে স্পর্শ করে, বান্দার পা আমার কুদরতের পা হয়ে যায় যা দিয়ে সে চলাচল করে, বান্দার জবান আমার কুদরতের জবান হয়ে যায়, যে জবানে সে বলে,বান্দার চোখ আমার কুদরতের চোখ হয়ে যায় যা দিয়ে সে দর্শন করে। অতএব, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই যে, আল্লাহর মকবুল ওলীগণ আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতায় শক্তিমান হন। তারই বাস্তব প্রতিফলন আমি দেখেছি বাবাজান কেবলার হায়াতে জিন্দেগীতে ঘটে যাওয়া অসংখ্য কর্মকান্ডে।

এতেও যদি সহজবোধ্য না হয়, তাহলে বিদ্যমান জাগতিক কর্মকান্ডের দিকে দৃষ্টি ফেরালেই দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট প্রতিভাত হবে।

যেমন একজন ধনাঢ্য দানবীর তার ধনভান্ডার থেকে দানের মাধ্যমে অথবা একজন শিল্পপতি যদি তার প্রতিষ্ঠানে শতহাজার কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে সমসংখ্যক পরিবারের অন্ন সংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন, আর তা যদি শিরক না হয়, তাহলে খোদা প্রদত্ত সম্পদে সম্পদশালী হয়ে মকবুল ওলীউল্লাহদের প্রদত্ত করুণা, সাহায্য কিভাবে শিরক হতে পারে?

অবিশ্বাস্য হলেও সর্বজন বিদিত সত্য যে, বাবাজান কেবলার এ মহান দরবার ছিল নানা দলমতআকীদাতরিকতের মহামিলনস্থল। তিনি ভিন্নমত, অনৈক্যের রশিগুলোকে একসূত্রে বাঁধতে সক্ষম হয়েছিলেন। মিলাদকেয়ামসালাম বিরোধিতাকারীদের মিলাদকেয়ামসালাম করিয়েছেন। দরবারের প্রতিটি বৈঠকের পর দরূদসালামকেয়ামমুনাজাত করা হতো। তিনি অগণিত বেনামাযীকে নামাজী বানিয়েছেন। একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা আমাকে বলেছেন, “আমি ধর্মে বিশ্বাস করতাম না, কিন্তু কুতুবশরীফ দরবারে এসে আমি ধর্মদর্শন পেয়েছি।’’ বাবাজান কেবলার সান্নিধ্যে অবস্থান করলে আল্লাহর স্মরণ হতো।

এ যেন শায়ের এর যথার্থ রচনা, “এক জামানা ছোহবতে বা আউলিয়া বেহতর আজ ছদ ছালে তা আত বেরিয়া”

(আল্লাহর ওলির সান্নিধ্যে এক মুহূর্ত অবস্থান করা শত বৎসরের নিষ্কলুষ এবাদতের চেয়ে উত্তম) তিনি হাতের তালুতে চাপড় মেরে ‘আল্লাহবাজী’ জিকিরের যে অনুশীলন করাতেন এতে অন্যরকম অনুভূতির সৃষ্টি হতো, যা কেবল এই দরবারেই দেখেছি। এ ব্যতিক্রমী জিকিরের তরতীব অনেকের কাছে বোধগম্য না হলে তিনি তাঁর জবানপাকে এর সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়ে বলতেন, “আমি আল্লাহর গুনাগার বান্দাদের নফসকে দমন করার জন্য হাতের তালুতে এ আঘাত করছি।’’ প্রতিদিন নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান দেয়ার হুকুম তিনি ঠিকই দিতেন। প্রতিবেলায় হাজার হাজার ভক্তজায়েরীন আশেকীনের তৃপ্তির সাথে খাবার পরিবেশনের আনজাম কোত্থেকে হতো তা অনুমান করাও দুরূহ ছিল। তাঁর ওফাতের পরও অদ্যাবধি তা চালু আছে এবং বাবাজান কেবলার ভবিষ্যতবাণী অনুসারে কেয়ামত অবধি এ মেহমাননেওয়াজী চালু থাকবে ইনশাআল্লাহ।

লাখো কোটি টাকা তাঁর কদমে হাদিয়া পেশ করা হলেও দরবারের কোনো উদ্বৃত্ত তহবিল থাকতো না। মেহমাননেওয়াজী, এতিমমিসকিন, গরিব, মেহনতি জনগণকে অকাতরে দান, গৃহ নির্মাণ, অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের কন্যাদের বিয়ের খরচের যোগান দিতে দেখেছি। তিনি অকাতরে সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছেন যেন মানব সেবার কাজে। এর তুলনা মেলা ভার। জাগতিক কোনো বিষয়ে তাঁর কোনো শংকা ছিলোনা। তাইতো আল্লাহ্‌পাক কুরআনুল করিমে যথার্থই ঘোষণা করেছেন, ’’আলা ইন্না আউলিয়া আল্লাহে লাখওফুন আলাইহিম ওয়ালাহুম ইয়াহজানুন’’ (নিশ্চয় আল্লাহর ওলীগণের কোনো ভয় নাই এবং তারা চিন্তিতও নন।) এ মহান অলি আল্লাহর সান্নিধ্যে ছুটে এসেছেন বুজর্গানেদ্বীন,পীরমাশায়েখ, শীর্ষ ওলামায়ে কেরামসহ অসংখ্য খ্যাতনামা ব্যক্তিগণ। কলেবর বৃদ্ধির ভয়ে মাত্র কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয় মনে করছি। যাঁদের মধ্যে আছেনজাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, চট্টলশার্দুল এম,এ আজিজ, চট্টলশের জহুর আহমদ চৌধুরী, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পীকার এ.কে.এম ফজলুল কাদের চৌধুরী, মন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ, কর্নেল অলি আহম্মদ, আব্দুর রাজ্জাক, ব্যারিস্টার সুলতান আহমেদ, চৌধুরী, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু,,ম জাহাঙ্গীর, জাহাঙ্গীর কবির নানক, জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এসএম ইউসুফ, রেজাউল হক চৌধুরী মোস্তাকসহ প্রায় সব মন্ত্রী, এমপি নেতা, রাজনীতিকগণ। এছাড়াও মরহুম সালেহ আহম্মদ চৌধুরী ও অগণিত শিল্পপতিগণসহ প্রায় সব জনপ্রতিনিধি এবং বাবাজান কেবলার দর্শন ও অনুকম্পাপুষ্ট সৌভাগ্যবান অগণিত ভক্তঅনুরক্তবৃন্দ। যদি পরবর্তীতে কখনো সম্ভব হয় বাবাজান কেবলার প্রকাশিত কারামত সমূহ বাস্তব প্রমাণাদিসহ প্রকাশ করবো ইন্‌শাআল্লাহ। অদ্যাবধি প্রতিদিন হাজার হাজার জিয়ারত প্রার্থী কুতুবশরীফ দরবারে আসাযাওয়া করছেন। তাই অবিলম্বে কুতুবদিয়া ধুরংছনুয়া রুটে ফেরি সার্ভিস চালু ও খ্যাতিমান এই মহাপুরুষের নামে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নামকরণের প্রত্যাশা আপামর জনসাধারণের। আল্লাহ আমাদেরকে বাবাজান কেবলার রূহানী ছায়াতলে থাকার তৌফিক দিন, আমীন।

লেখক : মহাসচিববৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি।

x