কলরাডো মাতালো শোয়েব-লাবণী

যুক্তরাষ্ট্রে বৈশাখী উৎসব

নাজিয়া তারান্নুম খান করবী, কলরাডো (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে

মঙ্গলবার , ১ মে, ২০১৮ at ২:৫৪ অপরাহ্ণ
333

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই মেতে উঠে এ উৎসবে। প্রবাসীদের কাছে এ উৎসবের আবেদন আরো বেশি। এ উৎসবের মাধ্যমে প্রবাসীরা খুঁজে পায় মা-মাটিকে। প্রবাসী বাঙালি সংগঠনগুলো নানা আয়োজনে পালন করে থাকে বাংলা নববর্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অভ কলরাডো (বাক)-এর উদ্যোগে গত ২৯ এপ্রিল রোববার অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মোস্তফা আব্দুল্লাহ কলি ও সুরজানা কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত কন্ঠে বেজে উঠে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো।’ এ গানের সাথে সাথে আগত দর্শকদের মাঝে শিহরণ জেগে উঠে।

তারপর মঞ্চে আসে কলরাডোর জনপ্রিয় ব্যান্ড বুনোতাল। তাদের গানে শ্রোতারা কিছু সময়ের জন্য মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে থাকে। বাজী, পরী, খাচার ভিতর অচিন পাখিসহ বেশ কিছু জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের উপহার দেয় স্থানীয় বাংলা ব্যান্ড দলটি। বুনোতালের মুগ্ধতা কাটতে না কাটতে মঞ্চে আসেন নৃত্যশল্পী নাজমুন নীলা, স্থানীয় সংগীতশিল্পী শ্রাবণ হেলাল, জনি ও শিশুশিল্পী আয়ানা। তারপর মঞ্চে আসেন গায়ক এম এ শোয়েব। জীবনের গল্প বলতে বলতে তিনি একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দেন আগত দর্শকদের। তিনি পপ গুরু আজম খানের বেশকিছু জনপ্রিয় গান করেন। এরপর দর্শকদের নাচাতে মঞ্চে আসেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা লাবণী। তার সাথে নেচে-গেয়ে মেতে উঠে পুরা মেলার দর্শকরা। লাবণীর সাথে দ্বৈত গান পরিবেশন করেন মোস্তফা আব্দুল্লাহ কলি। তাদের গানের মাধ্যামে শেষ হয় বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মেলায় বিভিন্ন দোকান সাজিয়ে বসেন প্রাবাসী বাঙালিরা। শাড়ি, ফুসকা, চটপটি, সমুচা, ইলিশ ভাজা, রকমারি মিষ্টি, বিরিয়ানি, ছোলা-বুটসহ নানান দেশী খাবারের পসরা সাজানো হয়। মেলায় আগতরা দেশী খাবার কিনে উপভোগ করেন। শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এম এ শোয়েব ও লাবণী।উল্লেখ্য, কমিউনিটিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ফৌজিয়া বেগমকে বিশেষ সম্মাননা ছাড়াও গায়ক এম এ শোয়েব ও লাবণীকে বাক ক্রেস্ট প্রদান করেন অধ্যাপক শামীম।

x