চট্টগ্রামে ৫ রানের জন্য ট্রিপল মিস নাসিরের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

রবিবার , ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ at ৪:৫২ পূর্বাহ্ণ
21

রেকর্ড স্পর্শ করে নিজেকে নিয়ে যেতে পারতেন এক অনন্য উচ্চতায়। ব্যাডবয় নাসিরের নামের সাথে যোগ হতে পারতো জাতীয় লিগে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানে মালিকানা। আগের দিনের ২৭০ এর সাথে ৩০ রান যোগ করলে দেশের হয়ে দ্বিতীয় ট্রিপল সেঞ্চুরির মালিক হতে পারতেন। সাথে আরো ১৪ রান করলে রকিবুলকে ছাড়িয়ে হতে পারতেন জাতীয় লিগে সর্বোচ্চ রানের মালিক। রকিবুল হাসানকে ছুঁতে পারেননি ঠিক। কিন্ত ছাড়িয়ে গেছেন এতদিন তার আগে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২৮২ ও মার্শাল আইয়ুবের ২৮৯ রানকেও। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রাহক এখন তিনিই। ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিং করেও নাসির হোসেনের ইনিংসটা শেষ হলো হতাশায়। মাত্র ৫ রানের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি পাওয়া হল না রংপুরের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানের। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিন ক্রিজে আসেন নাসির। দিন শেষ করেন ১০১ রানে অপরাজিত থেকে। তৃতীয় দিন জাগান ট্রিপল সেঞ্চুরির আশা, দিন শেষে অপরাজিত থাকেন ২৭০ রানে। গতকাল শনিবার ট্রিপল সেঞ্চুরি পেতে লাগত ৩০ রান। জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচের চতুর্থ দিনে এই মাইলফলক ছোঁয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন নাসির হোসেন। তবে মাত্র পাঁচ রানের জন্য ৩০০ রান ছোঁয়া হলও না তাঁর। ২৯৫ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়েছে নাসিরকে। চতুর্থ দিনের শুরুতে বরিশালের বিপক্ষে দ্রুত গতিতেই রান তুলতে থাকেন নাসির। ২৯০ রান পার হওয়ার পর মনে হচ্ছিল রেকর্ডটা হয়েই যাবে। তবে ২৯৫ রানের মাথায় লিঙ্কন ডি সঞ্জয়ের বলে ফজলে রাব্বির হাতে ক্যাচ তুলে দিলে শেষ হয় ট্রিপল সেঞ্চুরির স্বপ্ন। ৬০৩ মিনিট ক্রিজে থেকে খেলেছেন ৫১০ বল। ৩২ চার ও ৩ ছয়ে সাজানো ইনিংস শেষ হয় খানিকটা আক্ষেপ নিয়েই। গত বছর ডিসেম্বরে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পান নাসির। সেবার থামেন ২০১ রানে। এবার বরিশালের বিপক্ষে ফিরলেন ২৯৫ রান করে। ট্রিপল সেঞ্চুরিয়ানের অভিজাত ক্লাবে এখনও সঙ্গীহীন রকিবুল হাসান। সেই ২০০৬০৭ মৌসুমে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তিনশ রান করেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। বরিশালের হয়ে সিলেটের বিপক্ষে করেছিলেন অপরাজিত ৩১৩ রান।

x