নগরীর ১৫ স্পটে রোববার থেকে খোলাবাজারে চাল বিক্রি

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পর্যায়ে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি শুরু

আজাদী প্রতিবেদন

শুক্রবার , ২ মার্চ, ২০১৮ at ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ
41

চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৫ স্পটে আগামী রোববার থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে একজন গ্রাহক লাইনে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন ৫ কেজি করে চাল পাবে। সপ্তাহে শুক্রবার ছাড়া ছয়দিন ডিলাররা খোলা বাজারে চাল বিক্রি করবে। এদিকে নগরীতে ৩০ জন ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে একদিন পর পর ১৫ জন ডিলারকে ১৫টন করে চাল বরাদ্দ দেয়া হবে।

এদিকে গতকাল থেকে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রামে ১৪ উপজেলায় ৮০ হাজার ৬৯২জন হতদরিদ্র কার্ডধারী পরিবারকে মাসে একবার ৩০ কেজি চাল দেয়া হবে। ডিলাররা সাড়ে ৮ টাকায় সরকার থেকে কিনে গ্রাহকদের মাঝে ১০ টাকায় বিক্রি করবে। মার্চএপ্রিল পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলে জানান জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

এব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (কারিগরী) দোলন দেব আজাদীকে জানান, গতকাল থেকে উপজেলা পর্যায়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। এজন্য উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি গ্রামের হতদরিদ্র পরিবার গুলোর তালিকা করেছে। এ তালিকা অনুযায়ী প্রতি মাসে তাদেরকে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে ২২২জন ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এদিকে নগরীতে ৩০ জন ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে একদিন পর পর ১৫ জন ডিলারকে ১৫টন করে চাল বরাদ্দ দেয়া হবে। প্রতি কেজি চাল খোলা বাজারে ভোক্তাদের কাছে ৩০ টাকায় বিক্রি করা হবে। এদিকে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের খাদ্য পরির্দশক মো. শহীদ আলম আজাদীকে জানান, নগরীতে একজন ব্যক্তি প্রতিদিন ৫ কেজি করে চাল কিনতে পারবেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, উপজেলাগুলোর মধ্যে সন্দ্বীপে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে ২২ জন। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা দামের চাল পাবে ৯ হাজার ১৯৪জন কার্ডধারী পরিবার, মিরসরাইয়ে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১৬জন। ১০ টাকা দামের চাল পাবে ৬ হাজার ২৭৯জন কার্ডধারী হতদরিদ্র পারিবার। ফটিকছড়িতে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে ২৩ জন। ১০ টাকা দামের চাল পাবে ১২হাজার ৭২৫জন। সীতাকুন্ডে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১০ জন। ১০ টাকা দামের চাল পাবে ১ হাজার ৩৬জন। হাটহাজারীতে ডিলার ১৭জন। চাল পাবে ১ হাজার ৪০৯জন। রাউজানে ডিলার ১৬জন। চাল পাবে ৩ হাজার ৬৪১জন। রাঙ্গুনিয়ায় ডিলার ১৫জন। চাল পাবে ৬ হাজার ১৪২জন। বোয়ালখালীতে ডিলার ৯ জন। চাল পাবে ১ হাজার ৬৪১জনে। পটিয়া উপজেলায় ডিলার ২০জন। চাল পাবে ১ হাজার ৬১২জন। চন্দনাইশে ডিলার ৯জন। প্রতি মাসে চাল পাবে ৩ হাজার ৬১৬ জন। সাতকানিয়ায় ডিলার ১৮জন। চাল পাবে ৭ হাজার ৬৪৫ জন। লোহাগাড়ায় ডিলার ১০জন। চাল পাবে ৬ হাজার ১০২ জন। বাঁশখালীতে ডিলার ২৬ জন। চাল পাবে ১৩ হাজার ৩৩৬জন। আনোয়ারায় ডিলার ১১জন। চাল পাবে ৩ হাজার ৩১৪জন। প্রতিমাসে এ ১৪ উপজেলায় ২ হাজার ৪২০টন করে চাল বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

x