প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

বৃহস্পতিবার , ২৯ মার্চ, ২০১৮ at ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ
11

নগরীর জিইসি মোড়স্থ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকশিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী ও কর্মকর্তাকর্মচারীদের উপস্থিতিতে রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু তাহেরের নেতৃত্বে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এরপর ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সাদাত জামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনার মাধ্যমে এদেশে গণহত্যার সূচনা করে। তারা ঢাকার পিলখানার ইপিআর সদর দপ্তর, রাজারবাগ পুলিশলাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্যাংক, মেশিনগান ও ভারি অস্ত্রশস্ত্র সহযোগে ভয়াবহ আক্রমণ চালিয়ে নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করতে থাকে। সেই রাতে ঢাকায় অগণিত নিরীহ বাঙালি এবং চট্টগ্রাম সেনানিবাসে প্রায় এক হাজার বাঙালি সৈনিককে হত্যা করা হয়। বক্তারা আরও বলেন, ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা শুরুর পর পর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ২৬ মার্চ দুপুরে ও সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে আওয়ামীলীগ নেতা এম..হান্নান বঙ্গবন্ধুর এই স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন।

বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু তাহের, বিভাগীয় চেয়ারম্যান সাদাত জামান খান ও সহকারী অধ্যাপক আবদুর রহিম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. খুরশিদুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, রোমানা চৌধুরী, ঈশিতা পারভীন, সুমিত চৌধুরী, সোলাইমান চৌধুরী এবং প্রভাষক সান্তনু দাশ, সৈয়দা সালমা আকতার, শহীদুল আলম চৌধুরী ও সহকারী রেজিস্ট্রার কামরুল হাসান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, আগের দিন ২৫ মার্চ ২০১৮, বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত গণহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে ইংরেজি বিভাগের পক্ষ থেকেণ্ডসাহসী বুকে শক্তি ধরো, ৭১এর সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার, ২৫ মার্চ কালো রাত: জগন্নাথ হলের গণহত্যা থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই ও ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নামক দেয়ালিকা প্রদর্শন এবং এসব দেয়ালিকার মাধ্যমে গণহত্যা ও স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরা হয়। এছাড়া গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস নিয়ে কবিতা আবৃত্তি ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কারও প্রদান করা হয়।

x