‘ফেইক নিউজ এওয়ার্ড’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

শুক্রবার , ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ at ৬:৩৬ পূর্বাহ্ণ
19

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদসহ প্রথম সারির কয়েকটি মার্কিন গণমাধ্যমকে ‘সবচেয়ে অসৎ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত সংবাদমাধ্যম’ শিরোপা দিয়ে ‘ফেক নিউজ অ্যাওয়ার্ড’ ২০১৭ ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নানা ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করে আসা ট্রাম্প গত ৩ জানুয়ারিতেই ‘ফেইক’ মিডিয়াগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর এখন তিনি এ পুরস্কার বিজীয়দের নাম ঘোষণা করলেন। বুধবার ট্রাম্প তার অতি পছন্দের টুইটারেই ‘ফেক নিউজ অ্যাওয়ার্ড’ বিজেতাদের নাম ঘোষণা করেন। ১০ পুরস্কার বিজয়ীর একটি তালিকাও তিনি দিয়েছেন নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির ওয়েবসাইটে। সেই ওয়েবসাইটের লিংকটি ট্রাম্প তার টুইটেও দিয়েছেন। প্রথম পুরস্কার পেয়েছে মার্কিন সংবাদপত্র ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’। সেখানে নিয়মিত কলাম লেখক নোবেল পুরস্কার জয়ী অর্থনীতিবিদ পল ক্রুগমানকেও ট্রাম্প রেখেছেন শীর্ষে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে এবিসি নিউজ, তৃতীয় স্থানে আছে সিএনএন এবং এরপর আছে যথাক্রমে ওয়াশিংটন পোস্ট, টাইম ম্যাগাজিন ও নিউজ উইকের নাম। সংবাদমাধ্যমগুলোকে আক্রমণের নিশানা করে ট্রাম্পের ৮ জানুয়ারিতেই এ অ্যাওয়ার্ড ঘোষণার কথা থাকলেও পরে তা পিছিয়ে ১৭ জানুয়ারি করা হয় বলে জানিয়েছে ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’ পত্রিকা। পুরস্কার ঘোষণার পর রিপাবলিকন পার্টির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালজুড়ে পক্ষপাতমূলক, অসততাপূর্ণ এবং পুরোপুরি ভুয়া খবর প্রচার হয়েছে। খবরাখবরগুলো খতিয়ে দেখা গেছে, গণমাধ্যমগুলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে যে সমস্তদ সংবাদ প্রচার করেছে তার ৯০ শতাংশই ছিল নেতিবাচক।

ভোটে ট্রাম্প জয়ী হওয়ার পরের দিন ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এর নিয়মিত কলামে অর্থনীতিবিদ পল ক্রুগমান লিখেছিলেন, ট্রাম্পের জয় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনবে। ওদিকে, ‘এবিসি নিউজ’ এর সাংবাদিক ব্রায়ান রসের করা একটি ভুয়া খবরেরও উলেহ্মখ রয়েছে তালিকায়। ওই বিস্ফোরক খবরটি ছিল ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের বিরশুদ্ধে। এতে বলা হয়েছিল, ফ্লিনকে ক্রেমলিনের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর সাংবাদিক রসকে সেটি শুধরে নিতে বাধ্য করা হয় এবং কাজ থেকে চার সপ্তাহের জন্য সাসপেন্ডও করা হয়।

x