বইমেলা বাঙালির সাংস্কৃতিক জাগরণ ঘটায়

ডিসি হিলে আলোচনা সভায় চুয়েট উপাচার্য

বুধবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ at ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
19

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. রফিকুল আলম বলেন, প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে একটি ভালো বই নতুন প্রজন্মকে পথ দেখাতে পারে। বইমেলা বাঙালির সাংস্কৃতিক জাগরণ ঘটায়। এই জাগরণ তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলেই মেলার আয়োজন সার্থক হবে। তিনি গতকাল নগরী ডিসি হিল নজরুল স্কয়ার মঞ্চে একুশে মেলা পরিষদের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

উপাচার্য আরো বলেন, চট্টগ্রামে ২৬ বছর ধরে বইমেলা হচ্ছে, তবে এই আয়োজন এখনো সম্পূর্ণতা পায়নি। এ জন্য সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। সরকার এ ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক। এই আন্তরিকতাকে কাজে লাগাতে হলে প্রকাশকদের উদ্যোগী হতে হবে। তিনি আরো বলেন, সৃজনশীল বইপাঠ ও কেনা নিত্যদিনের অভ্যাস হওয়া উচিত। তাহলে দেশের সামাজিক বিপ্লব ঘটবে। এই বিপ্লব মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যাশা ও আকাঙক্ষার সাথে যুক্ত। তাই বইমেলা শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা নয়; জীবনের প্রাত্যহিকতায় এর প্রয়োজন অপরিসীম।

সভায় মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য প্রফেসর ড. শিরিন আকতার বলেন, আগে তরুণতরুণীদের মধ্যে বই পড়ার প্রতিযোগিতা ছিল। কিন্তু এখন তা আর নেই। আমাদেরকে আবারো সেই সুদিন ফিরিয়ে আনতে হবে।

একুশে মেলা পরিষদের উপদেষ্টা অধ্যাপক রীতা দত্তের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব চট্টগ্রাম (আইইবি)’র সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, সাবেক ছাত্রনেতা হাজী আলী আকবর, সাংস্কৃতিক সংগঠক নজরুল ইসলাম মোস্তাফিজ, শওকত আলী সেলিম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x