সরকার দেশকে লুটপাটের আখড়ায় পরিণত করেছে

চট্টগ্রামে নানা আয়োজনে জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী পালন

আজাদী প্রতিবেদন

শনিবার , ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ at ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ
22

শহীদ জিয়াই আওয়ামী লীগকে পুনর্জন্ম দিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল’ বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ শহীদ জিয়ার সমস্ত অবদানকে অস্বীকার করেছে। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে যে স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়েছিল তা জাতীয় যাদুঘর থেকে সরিয়ে ফেলেছে এই আওয়ামী লীগ।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। নগর বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে গতকাল বিকেলে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডা. শাহাদাত আরো বলেন, জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে এবং ১৯৭৫ সালে জাতীর ক্রান্তিলগ্নে এদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল। শহীদ জিয়াই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি বলেন, শহীদ জিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে গিয়েছিলেন। ক্ষমতাসীন দলে সমালোচনা করে ডা. শাহাদাত বলেন, সরকার দেশকে দুর্নীতি ও লুটপাটের আখড়ায় পরিণত করেছে। বেসিক ব্যাংক, ফার্মাস ব্যাংক ও শেয়ার বাজার ধ্বংস করে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশের পাচার করেছে। ২০১৭ সাল ছিল সরকারের ব্যাংক ডাকাতি ও লুটপাটের বছর।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাক বাহিনির নির্বিচার গণহত্যায় দেশবাসী যখন ভীতসন্ত্রস্ত, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যখন আত্মরক্ষার্থে আত্মগোপনে ব্যস্ত, সে সময় মেজর জিয়াউর রহমান জাতির ত্রাণকর্তারূপে আবির্ভূত হন। ওই রাতেই তিনি পাক সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাটস্থ বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দেন। যুদ্ধচলাকালে শত্রশু বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নেতৃত্ব দেন।

আবুল হাশেম বক্কর আরো বলেন, ১৯৭৫ সালে দেশের রাজনীতির রাজনীতির ক্রান্তিকালে সিপাহী জনতা জিয়াউর রাহমানকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছিল। তিনি ক্ষমতায় বসে বাকশাল বিলুপ্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। উৎপাদনমুখী শিক্ষাব্যবস্থা, সামাজিক ন্যায় বিচার ও ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি বলেন, মাত্র সাড়ে ৩ বছর ক্ষমতায় থেকে তিনি মানুষের যে ভালবাসা অর্জন করেছিলেন তা আজও অতুলনীয়। ‘বর্তমান অবৈধ ক্ষমতাসীন সরকার শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকাকে অস্বীকার করে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে’ বলেও দাবি করেন নগর বিএনপি’র এ সাধারণ সম্পাদক।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলমের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সৈয়দ আহমদ, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, এডভোকেট আবদুস সাত্তার সরোয়ার, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, হাজী মো. তৈয়ব, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মোবিন, সহসাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম (ডক), এস এম জি আকবর, ইসহাক চৌধুরী আলীম, ইব্রাহীম চৌধুরী, হাজী মো. বেলাল, মো. জহির আহমদ, সম্পাদকমন্ডলী মো. আলী মিঠু, এড. সিরাজুল ইসলাম, মাহমুদ আলম পান্না, এম আই চৌধুরী মামুন, হাজী নুরুল আকতার, ডা. সরোয়ার আলম, শহীদুল ইসলাম শহীদ, আবদুল বাতেন, থানা কমিটির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, সাইফুর রহমান বাবুল, কাউন্সিলর মো. আজম, হাজী মো. হানিফ সওদাগর, সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, বেগম লুৎফুন্নেছা, আজাদ বাঙালী, আবু মুসা, শফিক আহমদ, আলমগীর নূর, আবুল খায়ের মেম্বার, মোস্তাফিজুর রহমান ভুলু, আলী আজম, থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, নূর হোসেন, আবদুল কাদের জসীম, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন ভুলু প্রমুখ।

উত্তর জেলায় পৃথক কর্মসূচি :

এদিকে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি। এর মধ্যে এক অংশের নেতারা গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় ষোলশহর বিপহ্মব উদ্যানে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে আলোচনা সভা করেন। উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক সহসভাপতি আলহাজ্ব ইসহাক কাদের চৌধুরী’র সভাপতিত্বে ও উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এড. মুহাম্মদ আবু তাহেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সহসভাপতি অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, আলহাজ্ব সালাউদ্দিন, উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, সেকান্দর হোসেন চৌধুরী, আবদুল আউয়াল চৌধুরী, অধ্যাপক জসীম উদ্দিন চৌধুরী, ডাঃ খুরশিদ জামিল চৌধুরী, সেলিম চেয়ারম্যান, সৈয়দ মো. নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন, উত্তর জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন, বিএনপি নেতা নবাব মিয়া চেয়ারম্যান, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সরওয়ার উদ্দিন সেলিম, ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি মোবারক হোসেন কাঞ্চন, রাউজান উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব হাসান মো. জসিম, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি জাকের হোসেন, সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামশেদুর রহমান, উত্তর জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. সিদ্দিক, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, রাউজান উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, শফিউল আলম চৌধুরী, এইচ.এম. নুরুল হুদা, এস.এম. ফারুক, মো. মোরসালিন, ফজলুল হক, মোস্তফা আলম মাসুম, ফলজুর রহমান, মো. আইয়ুব, গিয়াস উদ্দিন, একরাম উল্লাহ নয়ন, নেছারুল আলম নাজমুল, বদিউল আলম বদরু, সাহাব উদ্দিন রাজু, আজিজুল হক, আনিস আকতার টিটু, মামুনুর রশিদ মামুন, ইকবাল করিম, মোকারম কুতুবী, তালিমুল ইসলাম, মো. ওসমান, জয়নাল আবেদীন মনজু, এস.এম. ইকবাল ও মোনাফ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জীবন বাজি রেখে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে যদি স্বাধীনতা ঘোষণা না করতো তাহলে দেশের আপামর স্বাধীনতাকামী জনগণ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো না।

এদিকে উত্তর জেলা বিএনপির আরেক অংশ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন এর সভাপতিত্বে ও ফিরোজ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি কেনদ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আজমত আলী বাহাদুর, নিজামুল হক তপন, আবু জাফর চৌধুরী, কামাল মেম্বার, ফারুক আজম, এস.এম. ইউসুফ, নুরুন্নবী, উত্তর জেলা যুবদল নেতা ইউসুফ চৌধুরী, মোজাম্মেল হক, কামাল উদ্দিন, এম. শাহজাহান, আবু বকর সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বাবুল মেম্বার, ইউসুফ তালুকদার, একরাম মিয়া, দিদার মিয়া, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রায়হানুল আনোয়ার রাহী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাসেল খান, শাহাদাত মির্জা, পেয়ার মো. চৌধুরী বাবু, আরিফুল ইসলাম, রুবেল, নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, বিপুল খান, মুরাদ, শওকত, ফরিদ, একরাম, আজগর, টিপু, রুবেল, এড. জুয়েল, ওমর কাইয়ুম, বাপ্পা, জালাল, জাসু, মনির, আশিক, মহিম প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে চির অমর হয়ে থাকতে শত সহ্র বছর বাঁচতে হয় না। একজন সাধারণ সৈনিকও যে সততা, মেধা, দেশপ্রেম, কর্তব্যনিষ্ঠা, দূরদর্শিতা ও মহানুভবতার যৌথ সংমিশ্ররণের ফলে কিংবদন্তি আসনে আসীন করতে পারে, এনে দিতে পারে অমরত্ব। সেই কিংবদন্তির মহান রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম।

দক্ষিণ জেলা বিএনপি : দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সকালে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে খতমে কোরআন ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়। পরে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মে সার্থক বাংলাদেশ, যার স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্যদিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনি এদেশের জনগণের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। নিজ কর্মগুণে স্বল্প সময়ে বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছিলেন। এখনও বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষ শহীদ জিয়াকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসেন। তাই জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক লায়ন নাজমুল মোস্তফা আমিন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, প্রকাশনা সম্পাদক এড. আবু তাহের, সাংষ্কৃতিক সম্পাদক এড. এম. নাছির উদ্দিন, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহক্রীড়া সম্পাদক শওকত ওসমান, জয়নাল আবেদীন, কে. এম আনিসুর রহমান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য মুহাম্মদ শহীদুল আলম শহীদ, আনোয়ারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন সুমন, সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন চৌধুরী, জেলা যুবদল নেতা জামাল উদ্দিন, দৌলত আকবর চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এম. হান্নান রহিম, কামাল উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, মোরশেদুল আলম, আলমগীর, এস.এম রিজভী, দিদারুল আলম, মো. রাসেল, মো. সেলিম প্রমুখ।

উত্তর জেলা ছাত্রদল: এদিকে বিএনপি’র সহতথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি বলেছেন, শহীদ জিয়া গণতন্ত্রের প্রাণপুরুষ, তিনি ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সৎ শাসক। বিশ্ব রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি। গতকাল বিকাল ৪টায় কাজির দেউরী রাজমহল কমিউনিটি সেন্টারে জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনিএ কথা বলেন। প্রধান বক্তা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ণজন্মা পুরুষ। তাঁর কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা উচ্চারিত হওয়ার কারণে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ হানাদার পাকবাহিনীর আক্রমণের মুখে নেতৃত্বশূন্য দিশেহারা বাঙালি জাতি ঘুরে দাঁড়িয়েছিল এবং পথের দিশা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ক্লান্ত হননি, রণাঙ্গনে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। রাষ্ট্রীয় ভাবে জিয়াউর রহমানের চিহ্ন মুছে ফেলতে এই সরকার জঘন্য তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুল আবছার জুয়েলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম জনির সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুর মোহাম্মদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আইয়ুব খান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি নেতা ডাঃ রফিকুল আলম চৌধুরী, মাসুদুল আলম চৌধুরী, আকবর আলী, ছাত্রদল নেতা মোরশেদ হাজারী, ওমর ফারুক চৌধুরী ডিউক, তরিকুল হাসান তকি, আবু সাঈদ, সরওয়ার হোসেন রুবেল, নুরুল কবির তালুকদার, ফরহাদ হোসেন, অহিদুল ইসলাম টিটু, আকরাম খান মুকুল, মামুনুর রশিদ, ইয়াছিন আরাফাত, শাহরিয়ার আলম, মীর জুবাইদুল ইসলাম রনি, ওসমান তাহের সম্রাট, হেমায়েত উল্লাহ হিমু, সাইদুল আমিন ও নগর ছাত্রদল নেতা সালাউদ্দিন আলী প্রমুখ।

x