হালদা সেতু চত্বরকে রবীন্দ্র স্কোয়ার করার দাবি

রাউজান প্রতিনিধি

শুক্রবার , ২০ এপ্রিল, ২০১৮ at ৬:০১ পূর্বাহ্ণ
9

চট্টগ্রাম রাঙামাটি সড়ক পথের হালদা নদীর উপর নির্মিত হালদা সেতুর সাথে থাকা খোলা চত্তরটিকে অবকাঠামোর দিক থেকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় ভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিদিন বিকালে এখানে সৌন্দর্য উপভোগকারী সাংস্কৃতি সেবীদের বসে আড্ডা। এবার হালদা সেতুর অদুরে বসেছে বৈশাখী মেলা। এখন এই এলাকাটি সাংস্কৃতি সেবী ও প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য পছন্দের জায়গা। নববর্ষের অনুষ্ঠান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাবি উঠেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে লীলাভূমি হালদা নদীর সাথে সাজানো হালদা সেতু চত্তরটিকে রবীন্দ্র স্কোয়ার নামে নামকরণ করা হউক। এই নামে চত্তরটিকে পরিচিতি করা হলে বিশ্বকবির প্রতি সম্মান জানানোর পাশাপাশি সুধিজনদের জন্য একটি সংস্কৃতি চর্চার উপযুক্ত স্থান হিসাবে স্বীকৃত হবে।

এই বৈশাখী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজানের সাংসদ রেলপথ মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এহেছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল হালদা সেতু চত্তরকে রবীন্দ্র স্কোয়ার ঘোষনার দাবি জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমেদ। যুবলীগ নেতা শওকত হোসেনের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এহেছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল, নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন রেজা, ওসি কেপায়েত উল্লাহ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফৌজিয়া খানম মিনা, পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খান, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কাউন্সিলর জমির উদ্দিন পারভেজ। বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। গত ১৪ এপ্রিল রাউজান কলেজ মাঠে এই আয়োজনে ছিল প্রতিবন্ধীদের জন্য বৈশাখী খাবারের ব্যবস্থা। এই আয়োজন করেছিলেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কাউন্সিলর জমির উদ্দিন পারভেজ। অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের সাথে একই খাবার টেবিলে বসে খাবার গ্রহন করেন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি ও তার সাথে থাকা অতিথিরা। প্রতিবন্ধীরা সাংসদকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়। তারা দুহাত তুলে দোয়া করেন। এ সময় ৫০ জন মানসিক, দৃষ্টি, শারীরিক প্রতিবন্ধী উপস্থিত ছিলেন। সাংসদ তাদের সাথে খেতে বসে বলেন ওরা আমাদের ভাই, বোন। তাদের কোনোভাবে অবহেলা করা উচিত নয়। সকলেই উচিত উৎসব, অনুষ্ঠানে অনন্ত এক বেলা হলেও তাদের সাথে বসে খাওয়া।

x