১ মার্চ ‘ভোটার দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত ইসির

শনিবার , ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৭ at ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
8

বছরের প্রথম দিন কিংবা স্বাধীনতার পর নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দিন নয়, বরং স্বাধীনতার মাসের প্রথম দিনকেই ভোটার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন সরকারের সায় মিললে ভোটার হতে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিবছর দিনটি পালন করা হবে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, কমিশন সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ১ মার্চকে ভোটার দিবস পালনে একমত হন। পাঁচ সদস্যের কমিশনের মধ্যে সভায় উপস্থিত তিনজন একমত হওয়ায় তা কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।

গত ১৭ ডিসেম্বরের কমিশন সভায় ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ভোটার দিবস বিষয়ে একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তাতে ১ জানুয়ারি ও ৭ জুলাইকে বিবেচনা করতে বলা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছিল। আর ভোটার হওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ১ জানুয়ারিতে ব্যক্তির বয়স ১৮ বছর হচ্ছে কি নাতা বিবেচনা করে ইসি।

সভায় নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত বলেন, যেহেতু প্রতিবছর ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর হন তারা ভোটার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন, তাই ১ জানুয়ারিকে ‘ভোটার দিবস’ করা যেতে পারে। তখন ১ জানুয়ারি ‘পাঠ্যপুস্তক দিবস’ পালনের বিষয়টি তুলে ধরা হয় তার কাছে। নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, যে তারিখে ভোটারের প্রথম তথ্য নিবন্ধন করা হয় সে তারিখেই ‘ভোটার দিবস’ ঘোষণা করা যথাযথ হবে। নির্বাচন কমিশনাররা জানান, ‘ভোটার দিবস’ পালনের মাধ্যমে ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রচারপ্রচারণার গতি বাড়বে।

x