ফটিকছড়ি প্রতিনিধি ।।

গত দুইদিনে কিছুই হয়নি ফটিকছড়িহেঁয়াকো সড়কে ভেঙে যাওয়া বেইলি ব্রিজের মেরামত কাজ। উত্তর ফটিকছড়ির মানুষকে রামগড়জালিয়াপাড়া হয়ে চট্টগ্রামখাগড়াছড়ি মহাসড়কে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ঘুরে ফটিকছড়ি সদরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে ভূক্তভোগীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোন উদ্যোগ দেখতে না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে বেইলি ব্রিজটি ভেঙ্গে গেলেও শনিবার সারাদিন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোন লোকজন ও পদস্থ কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি। বালুখালী খালে নৌকাযোগে লোকজন সাময়িক পারাপার হচ্ছে।

১নং বাগান বাজার ইউপি চেয়ারম্যান রুস্তম আলী অভিযোগ করে বলেন, সওজ’র উদাসীনতায় বেইলী ব্রিজটি বারবার ভেঙ্গে পড়ে। আমার ইউনিয়নের মানুষ ফটিকছড়ি সদর, ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ভূজপুর থানা ও চট্টগ্রাম শহরে যাতায়ত করতে হচ্ছে রামগড়ের জালিয়া পাড়া হয়ে খাগড়াছড়ি মহাসড়ক ধরে কমপক্ষে ৩০ কিলোমিটার ঘুরে। নারায়ণহাট ইউপি চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় আমার ইউনিয়ন এখন কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত। দুইদিনে সওজ’র এসডিওকে বারবার ফোন করে জানিয়েছি। তারা কোন কাজ করেনি। মানুষ এখন নৌকা যোগে পারাপার হচ্ছে।

এ নিয়ে কথা বলতে সওজ’র উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাহে আরেফীনের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তবে তিনি গত শুক্রবার বলেছিলেন, ব্রিজটি সচল করতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগতে পারে।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায় বলেন, সওজ’র কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। তারা বলেছে, অন্তত ১৫দিন লাগবে বেইলি ব্রিজটি সচল করতে। ওখানে পানি থাকার কারণে কাজ করতে সমস্যা হবে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে নারায়নহাট ইউনিয়নের শৈলকুপা গ্রামের বালুখালী খালের উপর নির্মিত বেইলি সেতুটি ভেঙ্গে যায়। দুর্ঘটনার পর থেকে সড়ক যোগযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে বিপাকে পড়েছেন ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরাঞ্চলের কয়েক লক্ষাধিক মানুষ।

LEAVE A REPLY