চট্টগ্রামের প্রবীণ লেখিকা ও কবি ফিরোজা বেগম (৮০) গত রোববার দিবাগত রাত পৌনে দুইটায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহেরাজিউন)। তিনি গত কয়েকদিন ধরে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি ৪ ছেলে, ৫ মেয়ে, নাতিনাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। গতকাল বাদ জোহর মেহেদীবাগ সিডিএ জামে মসজিদে প্রথম নামাজে জানাজা এবং বাদ আসর পাঁচলাইশের চালিতাতলী এলাকার নিজ বাসভবনের পাশে পূর্বা মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ফিরোজা বেগমের ‘ছায়া শিকারী’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি চট্টগ্রামের গুলজার বেগম স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই লেখালেখিতে যুক্ত হন। সেই সময়ের চট্টগ্রামের ‘দৈনিক আজাদ’ ও ‘সাপ্তাহিক কোহিনূর’ পত্রিকায় নিয়মিত তাঁর কবিতা ছাপা হতো। তিনি ‘চট্টগ্রাম মুকুল ফৌজ’এর প্রথম দিকের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। উলেহ্মখ্য, ফিরোজা বেগম সাপ্তাহিক চট্টলার সম্পাদক জি এম শাহাবুদ্দীন খানের মা এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক আবু সুফিয়ানের শাশুড়ি। তিনি আওয়ামী লীগের প্রাক্তন নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক এম এ শাকুরের সহধর্মিনী।

কবি ফিরোজা বেগমের মৃত্যুতে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ এমপি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার ও সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কোঅপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান স্বপন কুমার মল্লিক ও সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মশিউর রেহমান বাদল ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সভাপতি মো. আব্দুর রহিম ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবাল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

LEAVE A REPLY