আজাদী প্রতিবেদন ।।

নগরীর নিম্নাঞ্চল গতকাল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অমাবস্যার প্রভাবে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান আবহাওয়াবিদরা। আজ শনিবারও জোয়ারের পানির উচ্চতা বাড়ার কথা। তবে আজকের পর থেকে জোয়ারের তীব্রতা কমতে থাকবে বলে জানান আবহাওয়াবিদ ফরিদ আহমদ। ঈদ পর্যন্ত প্রতিদিন কয়েক পশলা বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গতকাল শুক্রবার নগরীর আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার লোকজন জোয়ারের পানিতে বন্দী ছিল প্রায় ৪ ঘণ্টা। চাক্তাইখাতুনগঞ্জেও হাঁটু সমান পানি উঠেছে।

এদিকে চান্দগাঁও নুরুজ্জামান নাজির বাড়ি, মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির বাড়ি, হায়দার আলী নাজির বাড়ি, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার রোড পানিতে ডুবে গেছে। জোয়ারের পানির সাথে কাপ্তাই লেকের পানি ছেড়ে দেয়ায় চান্দগাঁওকালুরঘাট মোহরা এলাকায় পানি বেশি উঠেছে।

কাপাসগোলা এলাকার বাসিন্দা কায়সারুল আলম আজাদীকে জানান, কাপাসগোলার আবদুল হাকিম সওদাগর লেইন, মিয়াখান নগর বাদামতল, বৌবাজার, ডিসি রোড, বাকলিয়া খালপাড়, পশ্চিম বাকলিয়া, বড় মিয়া মসজিদ, খালপাড়, সৈয়দ শাহ রোড, বগার বিল, ইসহাকের পুল এলাকায় পানি উঠেছে। এসময় রাস্তা ডুবে যাওয়ায় গতকাল জুমাতুল বিদার নামাজ পড়তে যাওয়া অনেক মুসল্লি দুর্ভোগে পড়েন। চান্দগাঁও নুরুজ্জামান নাজির বাড়ি, মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির বাড়ি, হায়দার আলী নাজির বাড়ি এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। স্থানীয়রা বলেন, মনে হচ্ছে বন্যা হয়েছে।

গতকাল বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দেখা যায়, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জে হাঁটু সমান পানি উঠেছে। এর আগের দিনও জোয়ারের পানি উঠেছিল। এদিকে পাথরঘাটা আশরাফ আলী রোড়েও পানি উঠেছে।

LEAVE A REPLY