নেছার আহমদ

পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ জনগণ যখন থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে, তখন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের অভ্যান্তরে ছোট একটি গোপন গ্রুপ স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। গোপন সেই গ্রুপে ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল আলম খান, কাজী আরেফ আহমদ এবং আব্দুল রাজ্জাক। এ ছোট গ্রুপটি হলো স্বাধীন বাংলাদেশের সুতিকাগার “নিউক্লিয়াস বা স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ”। যারা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে প্রাথমিক পর্যায়ে বাঙালির জাতিসত্তার উম্মেষ ঘটিয়ে প্রচারধর্মী আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। সে সময় পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ একটি প্রগতিশীল সংগঠনে রূপায়িত করে তারই ছত্রছায়ায় বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী কর্মী সৃষ্টি করে বাংলার ন্যায় সঙ্গত দাবিদাওয়া ভিত্তিক আন্দোলনকে ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপান্তরের লক্ষ্যে গোপনে সংগঠিত হচ্ছিল।

যাদের মূল লক্ষ্য হলো স্বশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করা। বীর প্রসবিনী চট্টগ্রামের সন্তান স্বপন কুমার চৌধুরী হলেন সেই নিউক্লিয়াসের চট্টগ্রাম অঞ্চলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে শহীদ স্বপন কুমার চৌধুরীর নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে।

১৯৭০ এর ১২ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় “স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ” প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উপস্থাপন করেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা চট্টগ্রামের কৃতীসন্তান চট্টগ্রাম অঞ্চলের নিউক্লিয়াসের অন্যতম সংগঠক স্বপন কুমার চৌধুরী।

তখন হতেই ছাত্রলীগ সরাসরি স্বাধীন বাংলাদেশের দাবি উত্থাপন করে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে নেতৃত্বে এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়। সেই ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা “স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশের” প্রস্তাবক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্বপন কুমার চৌধুরী। ১৯৪৯ এর ১৮ ফেব্রুয়ারি সাতকানিয়ার উত্তর ঢেমশা গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী জমিদার পরিবারে স্বপন কুমার চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা হরিরঞ্জন চৌধুরী ও মাতা রানু চৌধুরী।

সাতকানিয়ার স্থানীয় স্কুলে লেখাপড়ার হাতেখড়ি হলেও মেধাবী ছাত্র স্বপন কুমার চৌধুরী ১৯৬৫ সালে রাঙ্গুনীয়া হাই স্কুল হতে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং ১৯৬৭ সালে রাঙ্গুনীয়া কলেজ হতে মেধার ভিত্তিতে এইচএসসি পাস করেন। মেধাবী ছাত্র স্বপন কুমার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় যথাক্রমে পঞ্চম ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।

সে সময় মেধাবী ছাত্র হিসেবে তিনি শিক্ষক মহলের খুবই আদরের ছিলেন। ১৯৬৭ এর প্রথম দিকে তিনি প্রথমে ঢাকা আহসান উল্লাহ্‌ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (যা বর্তমানে বুয়েট) এ ভর্তি হন। কিন্তু স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের সিদ্ধান্তে এবং চট্টগ্রামের সিংহপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দক্ষিণহস্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রামের অবিসংবাদিত জননেতা এম এ আজিজের অনুপ্রেরণায় তিনি ছাত্র রাজনীতিকে স্বাধীনতা আন্দোলনের দিকে বেগবান করার লক্ষ্যে সংগঠিত করার জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রত্ব ত্যাগ করে ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন।

স্কুল জীবন হতে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি রাঙ্গুনিয়া কলেজে ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ঢাকায় যাওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং যোগ্যতার নিরিখেই তাঁকে ১৯৬৭ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এ সময়ে তিনি সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সফরে বের হয়ে স্বাধীনতার পক্ষে ছাত্রদের সংগঠিত করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। এ সময়ে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে আসেন। বঙ্গবন্ধু তাঁকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। তাঁর অন্তর দৃষ্টি দিয়ে ছাত্র কর্মীদের ভেতর যে অগ্নিশিখা জ্বলছে তা প্রত্যক্ষ করে আরো উস্কে দিয়ে স্বাধীনতার বীজমন্ত্র ছাত্র সমাজে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য উৎসাহ ও প্রেরণা জোগান।

স্বপন চৌধুরী নিউক্লিয়াসের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং বাঙালির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি তথা বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলন, সংগ্রাম ও লড়াইয়ের জন্য সুশৃঙ্খল জঙ্গি সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজন ৬২ সালে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়াস গঠন করেন সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমদ। ৬৪ সালের জুলাই মাসে এ তিনজনকে নিয়ে নিউক্লিয়াস গঠিত হয়। ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৮ সালে কাজী আরেফের তত্ত্বাবধানে একটি “ছায়া ফোরাম” গঠিত করা হয়। তাঁর সাথে ছিলেন মার্শাল মনি, ... আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ ও স্বপন কুমার চৌধুরী।

এ ফোরামে পরবর্তীতে ৬৮ সালে মফিজুর রহমান খান ও মোস্তাফিজুর রহমান, ৬৯ সালে মাসুদ আহমেদ রুমি, শরীফ নুরুল আম্বিয়া, . . . মাহবুবুল হক এবং ৭০ সালে হাসানুল হক ইনুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ইতিহাসের তথ্য ও সাক্ষ্য অনুযায়ী বিভিন্ন গবেষণা গ্রন্থের মতে বর্তমান সরকারের মাননীয় মন্ত্রী হাসানুল ইনুর অনেক আগেই চট্টগ্রামের গৌরব মেধাবী সংগঠক স্বপন কুমার চৌধুরী নিউক্লিয়াসের ছায়া ফোরামের সদস্য নির্বাচিত হন। নিউক্লিয়াসের নতুন সদস্য রিকুয়েট দায়িত্বে ছিলেন সাতজন। যার অন্যতম সদস্য ছিলেন স্বপন কুমার চৌধুরী। অন্য সদস্যরা হলেনমার্শাল মনি, ..ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, আমিনুল হক বাদশা, এডভোকেট চিত্তরঞ্জন গুহ ও নুরে আলম জিকো। সে সময়ে সিরাজুল আলম খানের তত্ত্বাবধানে সদস্য রিক্রুট করা হতো।

১৯৭০ সালে নিউক্লিয়াসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁদের পরিকল্পিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তৈরী করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের ১১৬ নং রুমে পতাকা তৈরী করার পরিকল্পনা নেয়া হয় এবং স্বপন চৌধুরী সহ পাঁচজনকে পতাকার কাপড় কিনে তৈরী করার জন্য পাঠানো হয়। তাঁরা ঢাকা নিউ মার্কেটের “অ্যাপোলো” নামের একটি দোকান হতে গাঢ় সবুজ ও লাল রঙের নেভি হ্যামিলটন কাপড় কিনে বলাকা বিল্ডিং এর “পাক ফ্যাশন টেইলার্স” হতে পতাকা সেলাই করেন। স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হলে স্বপন কুমার চৌধুরী চট্টগ্রাম চলে আসেন। নিউক্লিয়াসের সিদ্ধান্ত অনুসারে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা হিসাবে প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত করার জন্য তিনি চট্টগ্রামে কাজ শুরু করেন এবং চট্টগ্রাম এসে প্রতিরোধ যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন।

হাজারী গলিতে তৎকালীন বিনোদা ভবনে মুক্তিকামী ছাত্র ও যুবকদের সর্বপ্রথম সামরিক প্রশিক্ষণে প্রদানের ব্যবস্থা করেন। ১৯৭১ এর ২৮ মার্চ তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম রাইফেল ক্লাবের অস্ত্রাগার ভেঙে ট্রেনিং প্রাপ্ত ছাত্র যুবকদের মাঝে উক্ত অস্ত্র বন্টন করেন। পরবর্তীতে তারা ট্রেনিং এর উদ্দেশ্যে ভারতে পাড়ি দেন।

স্বপন কুমার চৌধুরী ১৯৭১ এর আগস্ট মাসের শেষের দিকে বিএলএফ ট্রেনিং শেষে আগরতলা হতে তাঁর অনুগামী বাহিনী চট্টগ্রামের দিকে যুদ্ধের উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। ৭১ এর নভেম্বরের শেষ ভাগ তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের কাউখালী এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানে তাঁর সাথে আমিনুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে আনোয়ারা থানার বিএলএফ গ্রুপ।

রাজেন্দ্র প্রাসাদ চৌধুরী নেতৃত্বে বোয়ালখালী গ্রুপ, মনির আহমদের নেতৃত্বে সাতকানিয়া থানার গ্রুপ, রাঙ্গুনীয়ার সালেহ আহমদ সহ সকলে স্বপন কুমার চৌধুরীর সাথে মিলিত হন। স্বপন কুমার চৌধুরীর সাথে ছিলেন সুব্রত দেওয়ানজী ও নুরনবী। তাঁরা সেখান হতে পরবর্তী গন্তব্যে যাওয়ার জন্য গাইডের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু বিশাল এক গ্রুপ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে তাঁরা শত্রু পরিবেষ্টিত অবস্থায় গাইডের জন্য খুবই বিচলিত অবস্থায় অপেক্ষারত ছিলেন।

ইতিমধ্যে তাঁদের অবস্থানের খবর ফাঁস হয়ে যায় ২৭ নভেম্বরের রাতে। সে রাতে পাকিস্তানী বাহিনী চতুর্দিক হতে তাঁদের উপর হামলা চালায়। গভীর অন্ধকারাচ্ছন্ন কুয়াশার রাত। এত কুয়াশা সে রাতে ছিল যে দুহাত দূরের জিনিষও দেখা যাচ্ছিল না। সকলে ঘুমিয়ে আছে। ঘুমন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের শিউরে উপস্থিত ঘাতক দল। ঘুমের মধ্যেই স্বপন চৌধুরী সহ চার মুক্তিযোদ্ধাকে মারতে মারতে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় রাঙ্গামাটিতে হানাদার বাহিনীর হেড কোয়ার্টারে। যেহেতু তাঁদের কাছে খবর ছিল স্বপন চৌধুরী খুবই গুরুত্বপূর্ণ মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর কাছ হতে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবার আশায় রাঙ্গামাটি সদরে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে চারটি দেহকে চালুনির মত ঝাঁঝরা করে ফেলা হয়।

অবশেষে ৩ ডিসেম্বর স্বপন চৌধুরীর জীবনের শেষ দিন। নির্যাতনে আধমরা স্বপন কুমার চৌধুরীর দেহটাকে ছিড়ে খুড়ে অবশেষে গুলিতে নিঃশেষ করে দেয়া হয়। তাঁকে হত্যাকরে ক্ষান্ত হয়নি হানাদাররা। তাঁদের লাশগুলোকেও গুম করে ফেলা হয়। যার কোন হদিস পরবর্তীতে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবকারী এবং স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন দেখা অকুতো ভয় এক সৈনিক যিনি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার সাথে লড়াই করা এক বীর।

কিন্তু স্বাধীনতার উষালগ্নে চলে যেতে হলো তাঁকে। স্বপ্নের বাংলাদেশ দেখে যেতে পারেন নি এ বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বপন চৌধুরী এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের গর্বিত সন্তান। তাঁর পরিবারে দু’জন শহীদ এবং পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা। শহীদ মিনার সংলগ্ন পার্ক যেটি জিন্নাহ পার্ক নামে পরিচিত ছিল, সে পার্কটির নাম স্বাধীনতার পর পর বঙ্গবন্ধু সরকার “শহীদ স্বপন চৌধুরী” পার্ক হিসেবে নামকরণ করেন। সেখানে একটি নাম ফলকও ছিল। বর্তমানে সে পার্কটি আছে, কিন্তু নামের কোন চিহ্নও নেই।

যাদের রক্তে মুক্ত এদেশে স্বাধীনতার বীর সন্তানদের নামে বর্তমান সরকার অনেক কিছু করছেন। চট্টগ্রামের মেয়রও একজন স্বাধীনতার পক্ষের সৈনিক। এ পার্কটিকে “শহীদ স্বপন কুমার চৌধুরীর” নামে ঘোষণা করে তাঁর একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী প্রজন্মের জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে এ বীর শহীদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য অনুরোধ করছি।

সূত্র : ১। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্বপন কুমার চৌধুরী, স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রস্তাবক ওয়েব সাইট। ২। কাজী আরেফ আহমদ রচিত “বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র” নামক গ্রন্থ। ৩। মুক্তিযোদ্ধা নাসিরুদ্দিন চৌধুরী রচিত পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধ। ৪। ডাঃ মাহফুজুর রহমান রচিত বাঙালির জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম নামক গ্রন্থ দ্রষ্টব্য।

LEAVE A REPLY