আজাদী প্রতিবেদন ।।

চট্টগ্রামের কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে ইফতার ও মতবিনিময় সভায় রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বলেছেন, কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাকর্মচারীরা চকচকে সুজুতা পায়ে শাটিংস্যুটিং হয়ে উপজেলায় বসে থাকেন। তারা মাঠে যাননাকৃষকদের খোঁজখবর রাখেননা। তিনি বলেন, প্রকৃতিক দুর্যোগের পর সরকারি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের (কৃষি, স্বাস্থ্য ও মৎস্য কর্মকর্তাদের) ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। কিভাবে দ্রুত ক্ষতি পুষিয়ে মানুষ স্বাভবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারে এ নিয়ে ভাবতে হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে রাঙামাটি, বান্দরবানের পাশাপাশি রাউজানেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে এই ক্ষতি দ্রুত পুষিয়ে ওঠার জন্য তিনি উপজেলা প্রশাসনকে তাগাদা দেন। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাউজানে এই যাবতকালের সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। রাউজানের এই ব্যাপক ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সরকারের কাছে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি করে সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী। নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে ফজলে করিম চৌধুরী এই মুহূর্তে সমাজের বিত্তবানদের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

গতকাল পাথরঘাটাস্থ সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর বাসভবনে ইফতারে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার, দৈনিক আজাদীর সিনিয়র সহ সম্পাদক দিবাকর ঘোষ, দৈনিক আজাদীর চীফ রিপোর্টার হাসান আকবর, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, সহ সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, অর্থ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর এপিএস সুমন দে, অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন। প্রকৃতিক দুর্যোগের কারনে রাউজানে নিজ উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে ইফতার মাহফিলের আয়োজন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করে সমস্ত টাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে বিতরণ করেন তিনি। ইতোমধ্যে রাউজানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা সাংবাদিকদের মাঝে তুলে ধরতে চট্টগ্রামে রাউজানের সাংবাদিকদের পাশাপাশি সিনিয়র সাংবাদিকদের নিজ বাসভবনে ডেকে নিয়ে বিস্তরিত তথ্য তুলে ধরেন ফজলে করিম।

LEAVE A REPLY