জফলুল হক

ছোট মানুষছোট কথা

দেশে অনেক বড় বড় মাপের মানুষ আছেন, উনাদের হাতে আমরা দেশকে সঁপে দিয়েছি। উনারা চালানআমরা চলি। দেশে তো বটেই, আমাদের চট্টগ্রামেও বড় মাপের রাজনৈতিক নেতারা আছেন। মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী, আমলা, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, মেয়র, সাবেক মেয়র, ব্যবসায়ী নেতা, এমপি, সাবেক এমপি, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, উনারা দেশের মানুষকে দিক নির্দেশনা দেন, দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ উনারা চালান। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। সুখে থাকতে চাই। আমরা নগণ্য মানুষ। আমি নিজে ছোট মানুষ। ছোট প্রাণি। বড় মাপের লোকদের সামনে যেতে চাইনা। ধর্ম নিয়ে লেখাপড়া করার আগ্রহ আমার আছে। পড়ার চেষ্ঠা করি। কিন্তু আমি খুব বেশী জানিনা। পাঠক পাঠিকা আমার লেখা পড়ে বুঝতে পারেন আমি প্রতিভাবান নই। ধর্ম বিষয়ে আলোচনা করতে ভয় পাই। ইব্রাহীম (আঃ) কে আমরা খুব শ্রদ্ধা করি। উনার আদর্শে আমরা চলি। আমাদের রাসুল করিম (দঃ) এর জীবন পর্যালোচনা করলে আমরা বুঝতে পারব নবী ইব্রাহীম (আঃ) এর মর্যাদা কত বেশি। তিনি আমাদের কাছে কত পবিত্র। আমাদের কাজ হওয়া উচিত পবিত্র কুরআন শরীফ গভীর অভিনিবেষ সহকারে অধ্যয়ন করা এবং কুরআন পাকের নির্দেশনা মেনে চলা। রাসুল (দঃ) এর পবিত্র জীবন প্রণালী অনুসরণ করা। ইব্রাহীম (আঃ) কে আগুনে পোড়ানোর জন্য নমরূদ এক বিশাল আগুনের কুন্ডলী বানিয়েছিল। দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। বিশাল বড় অগ্নিকুন্ড। আগুনের লেলিহান শিখা আকাশে উঠে মেঘকে ছুঁতে চাচ্ছে। এই আগুনে ইব্রাহীম (.) কে নিক্ষেপ করা হবে। আল্লাহ তাআলা ফেরেশতা পাঠিয়েছেন। আল্লাহর ক্ষমতা সম্পর্কে অনুমান বা চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা মানুষের নাই। এক পিঁপড়া ঠোটে করে বিন্দু বিন্দু পানি এনে আগুনের লেলিহান শিখার উপর ফেলছে। আগুনের তাপ, তার মরনঘাতি স্ফুলিংগ উপেক্ষা করে পিঁপড়া জলবিন্দু ঢালছেই। ফেরেশতা তাকে দেখে বলে, তুমি কে? সে বলে, আমি পিঁপড়া। ফেরেশতা বলে, তুমি জান তুমি ক্ষুদ্র প্রাণি? সে বলে, জানি। ফেরেশতা বলে তুমি কি জান, তোমার ঠোঁটের জলবিন্দু কোন কাজে আসবেনা? সে বলে, জানি। ফেরেশতা বলে, তাহলে কেন ব্যর্থ চেষ্ঠা করছ? পিঁপড়া বলে, হে মহান আল্লাহর ফেরেশতা? আমি জানি, ক্ষুদ্র জলবিন্দু নিক্ষেপ নিরর্থক। কিন্তু আমি মনকে তো প্রবোধ দিতে পারব যে আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সত্যের পথে থেকেছি? ছোটরা কেন নীরব থাকবে? (সুত্র: ইন্টারনেট।) ছোটদের ঘৃণা করবেননা। আমি ছোট মানুষ তাতে আমার কোন দুঃখ নাই। ব্যর্থবলেও দুঃখ নাই।

প্রিয় পাঠক, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্লেন থেকে যে বোমা ফেলা হয়েছিল, তার আকার কত বড় ছিল? এখন যেখানে আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা আছে, তার দক্ষিণ পার্শ্বে “ডাকাইত্যা বিলে” দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানীরা বোমা ফেলেছিল। বোমা যেখানে পড়েছে সেখানে পুকুর সমান গর্ত হয়েছিল। ১৯৫০ সালের পরেও লোকে সে বোমার গর্ত (খাদ) দেখতে যেতো। তাহলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত বোমা কত বড় ছিল? কিন্তু শেষ দিকে এসে জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকিতে আমেরিকা যে এটম বোমা মেরেছিল, তার ওজন কত ছিল? অনেক কম। তাহলে বুঝুন বড়র শক্তির চাইতে ছোটর ক্ষমতা কত বেশি? একটা ৩/৪ শ গ্রাম ওজনের জীবাণু বা অনুবোমা মানব সভ্যতাকে শেষ করে দিতে পারে। তারপরও বড় মানুষরা ছোট মাপের মানুষদের পাত্তা দেয়না। আমি ছোটকোন আফসোস নাই।

দেখুন, যেখানে যাই, প্লেনে, সেমিনারে, সামিটেপশ্চিমা অধ্যাপকদের সাথে দেখা হলে তারা আমাদের বুঝিয়ে দেয় তোমরা মুসলিমতোমরাতো জঙ্গি টেরারিস্ট। আরে বাবা আমি টেরারিষ্ট হতে যাবো কেন? আমি তো তোমার মতোই অধ্যাপক। তুমি জলেভাসা পদ্ম, আর আমি পুকুরের কচুরীপানা? সে বলে, মুসলিম তুমি, তোমরা টেরারিষ্ট না হয়ে পার? তোমাদের ধর্মতো তলোয়ার নির্ভর? তুমি না হলে, তোমার ভাই তলোয়ার রাখে? চাপাতি দিয়ে কোপায়? আরে এতো দেখছি, সুন্দর বনের চিতা বাঘ? আমাকে শোনাচ্ছে হাঁক ডাঁক। সে আমেরিকান, সে অনেক বড়, আর আমি বাঙালি, আমি আমডার মতো খর (টক)। আমি বলি, আচ্ছা প্রফেসর তুমি হিরোশিমা নাগাসাকির নাম শুনেছ? সে বলে কেন? সেখানে যে এটম বোমা ফেলেছিলসেকি মুসলমান ছিল? তোমার কোমরে হাইড্রোজেন বোমা, এটম বোমা, জীবাণু বোমা, তোমার ঘাড়ে ড্রোন, আমার কোমরে তলোয়ারভাই সাদা চামড়া ইহুদি বা খ্রিস্টান, বলতোতলোয়ারের এক কোপে কতজন মরে? আর হাইড্রোজেন বোমায় একসাথে কত লক্ষ লোক মরে? তোমার ড্রোন বা কার্পেট বোমা কিভাবে মানুষ মারে? আমার তলোয়ার কি কার্পেট বোমার চাইতেও বড় জঙ্গি? দেখুন ভাই প্রফেসর, আমরা বাঙালি, আমরা মুসলমান, আমাদের ছোট ভেবোনা। জঙ্গিবাদ দমনে আমরা তোমাদের চাইতে কম অগ্রগামী নই। তোমরা মুসলিম দেশে জঙ্গিবাদের বীজ বপন করেছ।

দেখুন, ঘর বড়। তার চাইতে ছোট হলো দরজা। তার চাইতে ছোট হলো জানালা। দরজার চাইতে ছোট হলো ঘরের তালা। তালার চাইতে ছোট হলো তার চাবি। ঘর যত বড়ই হোকযার হাতে চাবিকাঠি আছে সেই ঘরে ঢুকতে পারবে। চাবি ছোট। চাবির কদর বেশি। চাবি ছাড়া ঘরে ঢুকতে পারবেননা। ঘর বা প্রাসাদ বা গণভবন বা বঙ্গভবন আপনার হবে যদি চাবি আপনার হাতে থাকে। চাবির মালিক বড় নেতা, বড় আমলা, বড় প্রভাবশালী, বড় সন্ত্রাসী, বড় ব্যবসায়ী কালো টাকার মালিক, বড় বন্দুকধারীএরা কেউ নয়। চাবি জনগণ যাকে ইচ্ছা তাকে দেয়। আমরা ছোটআমরা জনগণের কাতারে থাকি। আমরা লেখালেখি করি। জনগণকে বলি, ইনাকে ভোট দাও। ইনি যোগ্য। চাবিকাঠি হাতে পেয়ে আপনি আমাদের কথা ভুলে যান। বারবার ঘু ঘু তুমি খেয়ে যাও ধান, এইবার ঘু ঘু তুমি ভুলে যাবে গান। (প্যারোডি)

আপনারা ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করছেন, আপনারা নিশ্চয়ই এই কথাগুলো মাঝে মধ্যে স্মরণ করেন, যখন মুক্তিযুদ্ধ চলছে, রাজাকার আলবদররা রাস্তায় চক্কর দিচ্ছে, বিহারীদের সাথে নিয়েছে। পাঞ্জাবি লেন, হালিশহর, পাহাড়তলীতে বিহারী তরুণরা হত্যার নেশায় মেতেছে। মুসলিম লীগের দালাল, জামায়াতীরা রক্তের নেশায় পাগল। মুখে ধর্মের কথা যতই বলুক। এরা রক্ত লোলুপ। অধ্যাপক, ডাক্তার, উকিলবুদ্ধিজীবীদের ঘরের আশে পাশে কালো মাইক্রোবাস ঘুর ঘুর করছে। মনে পড়ে? হাত পা চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে যাচ্ছে ডাক্তারকে, শিক্ষককে? পেছনে পড়ে থাকছে তাদের বৌ সন্তান। ছোট ছোট বাচ্চা। অসহায় পরিবার। কোথায় যাবে অসহায় বাচ্চারা? বাবার বুকে ঘুমাতো দেড় বছরের কন্যা। বাবাকে নিয়ে গেছে ডালিম হোটেলের টর্চার সেলে বা গুড্‌স হিলে, শিশুটি কি করবে? কথা বলতে চাই না, কথা বলা কষ্টকর। সুন্দর একটি সোনার বাংলা চেয়েছিলাম। মার খেতে খেতে আধমরা হয়ে গিয়েছিলাম। ছাত্র রাজনীতি করতাম। মনে রাগ জমা হয়েছিল, এদের মেরে সাফ করে ফেলবো। এখন কথা বলা কষ্টকর। যদি দেখি স্বাধীনতার পক্ষে ছিলেন না এমন লোককে পদক দিয়েছেনকেমন কষ্ট হয়? আমাদের সাথে গোলামের মতো আচরণ করেন আর মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের কোলে বসান, কেন এমন হয়?

আমাদের প্রধানমন্ত্রী এমন এক মেয়ে যিনি মা বাবা ভাই চাচা সকলকে হারিয়েছেন। উনার নিজের বাড়িতে উনাকে ঢুকতে দেয়া হয় নাই। অনেক পরে যখন ঘরে ঢুকেছেন, ঢুকে সিড়ি থেকে, ফ্লোর থেকে নিজ হাতে নিজের মা বাবার রক্ত মুছতে হয়েছে। উনাকে গ্রেনেড মেরে হত্যা করার চেষ্ঠা করা হয়েছে। উনি বোঝেন মা বাবা হারানোর যন্ত্রণা। কি অবস্থা দেখেন। ঘাতকের দায়ের তলায় থাকা কি আমাদের নিয়তি? হুমায়ুন আজাদের মেয়ে, দীপনের ছেলে, সাংবাদিক বালুর সন্তানকে কি বলবেন? কি সান্ত্বনা দিবেন? এই জন্য দেশ স্বাধীন হয়েছিল? আপনারা এমপি হয়ে, মেয়র হয়ে, ক্ষমতার স্বাদ নিচ্ছেন। আমরা আপনাদের কাছে গেলে কেন ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখেন?

যে যা বলুক, যে কারো চোখে মুখে অগ্নি বর্ষিত হোক, হাতে চাবুক, বেয়নটথাকুক, পরোয়া করিনা, সত্য বলে যাবো। সত্য বলে যাবো। আপনারা বিভিন্ন পদে আছেন, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকেন, তৃণমূলে অনেক বাস্তবতা আছে, আপনাদের সীমাবদ্ধতা আমরা বুঝি। সাধারণ মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। করে আপনাদের হাতে দেশ সমর্পণ করেছে। সুন্দর দেশ নির্মাণের দায়িত্ব আপনাদের। সুনামি হয় দেখেছেন, সুনামির ধাক্কায় সমুদ্র পৃষ্ট চার বা ছয় মিটার উঁচু হয়। সমুদ্র ফুঁসে উঠে। কিন্তু তীরে এসে ঢেউ এর ধাক্কা হয় তীব্র। তখন যদি ৫০ মিটার, ৭০ মিটার উঁচু পাহাড় সমান ঢেউ লোকালয়ে আছড়ে পড়ে আপনি কি করবেন? আমাদের দেশে এখনো এমন মানুষ আছে, যাদের অনেক ত্যাগ। তারা আপনাদের কাছে আসেনা। নীরবে নিভৃতে কাঁদে। রাজনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক কিছু করতে হয়। আপোষ করতে হয়। অপছন্দের লোকের সাথে খেতে বসতে হয়। কিন্তু যারা রক্ত দিয়েছে, তাদের উপর সুনামি কেন? এটাতো বড় আঘাত? অর্থ বলুন, সম্পদ বলুনসব চলে গিয়েছিল স্বাধীনতা বিরোধীর হাতে। একাত্তরের অর্জন, পঁচাত্তরে অন্ধকারে। ওরা পঁচাত্তর থেকে ক্ষমতাসীন। আমরা কি পেয়েছি? আপনারা নেতারা বঞ্চিতদের কাছে যান। তাদের বুকে টেনে নেন। আমরা এই বাংলাদেশ চাই নাই। রক্ত দিয়ে ধোয়া এই মাটি পবিত্র। যারা ত্যাগী তাদের অনেকে এখনো মূল্যায়িত হয়নি। পবিত্র মাটিতে দুর্নীতি করবেন না।

এক গৃহস্থের গাধা কূপে পড়ে গেছে। কূপ গভীর। গাধা উঠতে পারছে না। গৃহস্থ লোকজন ডেকে আনে। এই কূপে পড়ে অনেক বাচ্চাও মারা গেছে। গাধা বুড়ো হয়েছে। কূপটাও ভরাট করা দরকার। গৃহস্থ বলল, চল কূপ ভরাট করি। গাধা কূপের মধ্যেই থাক। হায় গাধা চলে যাবে সমাধি তলে। মাটি ফেলা শুরু হলো। গাধার মাথার উপর মাটির ঢেলা পড়ছে। এবার গাধা এক কাজ করলো। মাটি যত পড়ে সে একটু উপরে উঠে। কূপ যত ভরাট হয়, গাধা তত উপরে উঠে। সর্বশেষ গাধা কূপ থেকে উঠে হাসতে থাকে।

গাধা বেকুব প্রাণি। জনগণ বাকহীন, কণ্ঠস্বরহীন। তাকে আপনি যতই কূপে চাপা দিতে চান না কেন, গাধাও জনগণকে কখনো বোকা ভাববেন না। সমীহ করে চলবেন। কূপ থেকে জনগণ বেরোতে পারলে রক্ষা নাই। সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছি। সকল কষ্ট মেনে নিয়েছি। হাসিমুখে সব কিছুকে হ্যাঁ বলেছি। অনেকের বাবা চলে গেছেন। মা ধর্ষিতা হয়েছেন। বোন হারিয়ে গেছে। কোন অনুযোগ ছাড়া ওজর ছাড়া, চোখের জল আড়াল করে অনেকে দিন গুজরান করছে। আমার বা আপনার বাবাকে ধরে নিয়ে গেলো, চিন্তা করতে চাই না ওখানে, সেই ডালিম হোটেলে বা গুড্‌স হিলে, সার্কিট হাউসে এদের কি করেছিল? জাহাঙ্গীরকে বা এমরানকে জিজ্ঞেস করে দেখুনডালিম হোটেলে তাদের কি করেছিল? এখানে কি করা হতো ভাবতে চাই না। আমরা বুক ঝাঁঝড়া করা লাশ পেয়েছি। আমরা কপালে বেয়নট ঢোকানো লাশ পেয়েছি। আবেগ তাড়িত হয়, যখন আপনাদের কাছে আসি, আপনাদের দিকে তাকাই। তারা হাসি মুখে মৃত্যুকে মেনে নিয়েছিল এই বিশ্বাসে বা এই আত্মবিশ্বাসে যে আপনাদের হাতে দেশ ভাল থাকবে। আমরা রক্তে পা ডুবিয়ে লাশ খুঁজেছি। একাত্তরকে আপনারা যেভাবে কল্পনা করেন, এটা তার চাইতেও ভয়াবহ ছিল। পাকিস্তানকে যে রকম ইসলামী রাষ্ট্র ভাবেনএটা তা নয়, পাষণ্ডরাষ্ট্র এটা। পাঞ্জাবী, বালুচ, পাঠানএদের মানুষ ভাবেনভাবতে পারেনআমি ভাবিনা। দালাল, আলবদর, রাজাকার টিকে আছে, গাড়িতে পতাকা ওড়িয়েছেএটা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার প্রবণতা হয়। আপনারা যারা দাপট দেখানএটা ভেবে দেখবেন। চালের দাম জানেন। আলুর দাম জানেন। রক্তের দামটাও বোঝার চেষ্টা করবেন। এক মাঘে শীত যায়না। ছোট ছোট মানুষগুলির কাছে আবার আসতে হবে। ছোটরা রক্ত দিয়েছে।

লেখক: সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ। অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

LEAVE A REPLY