বাঁশখালী নাগরিক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা এম. মহিউল আলম চৌধুরী বলেছেন, যে সকল ক্ষণজন্মা মহাপুরুষদের শুভ আবির্ভাবে বিশ্ব ইতিহাস সমৃদ্ধ হয়েছে তন্মধ্যে আল্লামা শাহছুফী সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রহ) ছিলেন অন্যতম। তিনি তাঁর কৃতকর্মের মধ্য দিয়ে একজন কালজয়ী মহাপুরুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে স ম হয়েছেন। ইসলামের শ্বাশত ও কালজয়ী আদর্শের ব্যবহার প্রসার ও সম্প্রসারণে তিনি বিশ্বের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চষে বেড়িয়েছেন। ইসলামের প্রচারপ্রসারের সাথে সাথে শরিয়ত ও তরিক্বতের প্রচার প্রসারে আল্লামা শাহছুফী সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রহ🙂 অবদান অতুলনীয়। ইসলামী শিক্ষা বিস্তারে তিনি বিশ্বের দেশে দেশে অসংখ্য দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খানকা শরীফ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।

বাঁশখালী নাগরিক পরিষদ এর উদ্যোগে ৫ আগস্ট সংগঠনের চট্টগ্রাম শহরস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আল্লামা শাহছুফী সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রহ🙂 ওরশ শরীফের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সংগঠনের সভাপতি মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাঁশখালী নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, বার আউলিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা জাহেদুল ইসলাম রিটন, বাঁশখালী ইসলামিক ফ্রন্ট নেতা মাওলানা মঈনুল ইসলাম ফরহাদ, কাজী সুলতান আহমদ, যুব পরিষদ নেতা অধ্যক্ষ মাও: মনছুর আলম, শাহজাদা এস.এম অলি উল্লাহ নকির, গিয়াস উদ্দিন জাহেদ, ইউসুফ চৌধুরী, আকরামুল হক, জসিম উদ্দিন চৌধুরী আকাশ, আমির হোসেন, ফখরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মনিরুল হক, আবদুল্লাহ আল ইকবাল চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম, সাইফুল ইসলাম, কাজী ফারুক আজম, কাজী নাঈম উদ্দিন প্রমুখ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

LEAVE A REPLY