চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন-শৃংখলা সমুন্নত রাখার বিষয়ে গতকাল উপাচার্য দপ্তরের সভা কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। সভায় চ.বি. রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল হুদা, প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, নিরাপত্তার প্রধান বজল হক ও নিরাপত্তার দপ্তরের কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা সুপারভাইজারবৃন্দ, ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি জোস মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণার মনোরম পরিবেশ বিনষ্টকারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। উপস্থিত সকলের পরামর্শের আলোকে তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসবাসকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধানে সব ধরনের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, অল্প কিছু সংখ্যক আইন-শৃংখলা বিরোধী ব্যক্তির কাছে বিশ্ববিদ্যালয় জিম্মি হতে পারে না। যে কোন বিশৃংখলা ও অনাকাংখিত ঘটনা-দুর্ঘটনা এড়াতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা বলয়কে অধিকতর কার্যকর ও দৃশ্যমান করা হবে। এ লক্ষ্যে চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, সন্ত্রাস-মাদক প্রতিরোধ ইত্যাদি নেতিবাচক কর্মকান্ড প্রতিরোধে প্রক্টরিয়্যাল বডির দিক নির্দেশনায় আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দ এবং নিরাপত্তা দপ্তরের কার্যক্রম মনিটরিং এর মাধ্যমে দৃশ্যমান করা হবে।
সার্বিক পরিকল্পনার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোন বহিরাগত পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ক্যাম্পাসে পরিচয়পত্রবিহীন কাউকে রিক্সা/অটো রিক্সা চালাতে দেয়া হবে না। সকলের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে রাস্তাসমূহে বিভিন্ন পয়েন্টে নির্দেশিকা ও ডিভাইডার দেয়া হবে। পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন করতে ঝুঁকিপূর্ণ গাছপালা অপসারণ করা হবে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সুপরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে বসবাসের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, গাড়ির গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করা হবে, নিরাপত্তা কর্মীদের তাদের দায়িত্ব পালন সম্পর্কে সচেতন করতে জরুরী ভিত্তিতে ট্রেনিং প্রোগ্রামের আয়োজন করা হবে এবং দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে, বাস্তবতার নিরিখে নিরাপত্তা প্রহরীদের দৈনন্দিন ডিউটি রোস্টার পুনর্বিন্যাসসহ তাদের উপস্থিতি কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে, সর্বোপরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি ছাতার নিচে আনা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

LEAVE A REPLY