উখিয়া প্রতিনিধি

ইয়াবার আরো উন্নত পরমানন্দ দায়ক সংস্করণ নিয়ে বাজারে মিয়ানমার যুক্ত করেছে ‘৯৯৯’ ব্র্যান্ডের ইকেস্টসি পিল বা পরমানন্দ বড়ি। বাংলাদেশ সীমান্তে হয়ত এটি পৌঁছেনি। তবে মিয়ানমার থেকে “গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল” হয়ে পাচারকালে মিয়ানমার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উদ্ধার করেছে ৬ লক্ষাধিক এ নতুন নেশার ট্যাবলেট। একই অভিযানে ২শ’ কোটি পিচ ইয়াবা, ৯ কেজি হেরোইন ও ৫ বস্তা ক্যাফেইন সহ আটক হয়েছে চার পাচারকারী। এএফপির খবরে জানা যায়, গত মঙ্গলবার মিয়ানমার আইন শৃঙ্খলা বাহিনী “গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল” খ্যাত মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড সীমান্তের থ্যমিলিক শহরে এক মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হয়। এসময় চারটি বাড়ি থেকে অভিযানে নতুন নেশা ৯৯৯ ব্র্যান্ডের ট্যাবলেট সহ বিপুল পরিমাণের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। মিয়ানমারের ড্রাগস ল্যাবটরিগুলোতে মাদক সেবীদের চাহিদার নিরিখে আরো কথিত পরমানন্দ দায়ক নতুন ৯৯৯ ব্র্যান্ডের এ মাদক বড়ি তৈরি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। মিয়ানমার বাজারে এ ব্র্যান্ডের প্রতিটি ট্যাবলেট ২৫ মার্কিন ডলারে পাইকারি বিক্রি করা হচ্ছে বলে খবরে জানানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এটি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বড় মাদকের চালান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়মিয়ানমারের শান প্রদেশে দীর্ঘদিন চলমান জাতিগত সহিংসতায় যুদ্ধরত পক্ষগুলোর ভারী অস্ত্র গোলাবারুদ সংগ্রহের অন্যতম উপায় হিসেবে মাদক উৎপাদন, বিপণন ও পাচার প্রধান লক্ষ্য। শান প্রদেশের অনেকাংশ এলাকা যুদ্ধরত বিদ্রোহী গ্রুপ উয়া আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিদ্রোহী উয়া আর্মির নিয়ন্ত্রণে শান প্রদেশে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে হেরোইনের উপাদান পপি, আফিম, ক্যফেইন চাষাবাদ হয়ে থাকে। যেগুলো প্রক্রিয়া জাত করনের মাধ্যমে ইয়াবা, ৯৯৯, হেরোইন, আফিম, ক্যফেইন, গাজা সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাদক প্রস্তুত করে পাচার করা হয় বিভিন্ন দেশে। ক্ষেত্র বিশেষে সেনাবাহিনীর নিজেদের কৌশলগত বিবেচনায় মাদক পাচারে ইন্দন যুগিয়ে অনৈতিক ফায়দা লুঠছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন সংস্থার। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র মিয়ানমারের ইয়াবার ঠেলা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে রীতিমত। সেখানে নেশার জগতে যুক্ত হওয়া ৯৯৯ ব্র্যান্ডের পরমানন্দ ট্যাবলেট প্রতিরোধ কতটুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন অভিবাবক মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে।

LEAVE A REPLY