সেলিম সোলায়মান

মধ্যরাতে ভার্চুয়াল ব্যারিকেডের ওপারে

ঐ যে বলেছিলাম বিছানা বদল হলে ঘুম আসে না সহজে আমার , এখানেও হলো না ব্যতিক্রম তার। ঘুম না আসলে অদ্ভুত কিছু উপসর্গ দেখা দেয় আমার। কখনো দেখা যায় চুলকাচ্ছে পায়ের তলা, কখনো বা হাতের তালু, কিম্বা পিঠের দুর্গম স্থানে যেখানে আগে হয়নি কখনো চুলকানোর প্রয়োজন। লাগে পানির পিপাসা, করতে থাকি এপাশ ওপাশ। এসব যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য উল্টা গোনা শুরু করলাম ১০০ থেকে ১ পর্যন্ত। চোখ বন্ধ করে ভেড়াও গুণলাম কিছুক্ষণ। হঠাৎ মনে হলো দেখিতো আবার চেষ্টা করে ঢোকা যায় কিনা অন লাইনে। ব্যাপারটা এরকম আর কি, রাত গভির হলে যেমন অনেক পাহারাদার ঘুমিয়ে পড়ে, তেমনি যদি ঘটে তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কেও ; তাহলে হয়তো চট করে ঢুকে যাওয়া যাবে ওখানে। পাশ ফিরে তুলে নিলাম মোবাইল বিছানালাগোয়া টেবিল থেকে।না’হ হলো না কাজ। ভাবলাম তা হলে কি আসলেই ‘ওয়াই ফাই’ এর যে জোরদার সিগন্যাল দেখাচ্ছে সেটাই ভুয়া। এ সময়েই ঢুকতে পারলাম ‘ইয়াহু’র সাইটে। বুঝলাম না’হ ওয়াই ফা’ই ঠিকই আছে। বরং আমার চাইনিজ সহকর্মীদের কাছে শোনা কথা মোতাবেক এখানে নিয়ন্ত্রিত কিছু সাইটে যাওয়া যাবে।

রটনা, গুজব আর গজবে বোঝাই থাকে আজকাল আমাদের পত্রিকাগুলো। তাই পত্রিকা পড়া মোটামুটি ছেড়ে ই দিয়েছি বলা য়ায় বেশ কিছুকাল হলো, কিন্তু এখন এই ঘোর চায়নিজ মধ্যরাতে হঠাৎ কিনা ইচ্ছে আমার হলো দেশের পত্রিকা পড়ার। চেষ্টা করলাম ‘ইয়াহু’র সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে দেশি পত্রিকা লিংক বের করার। সার্চে ওগুলোর লিংক বেরিয়েও এলো দু’য়েকটার। কিন্তু খোলা গেল না একটারও দ্বার। কেন এমন হচ্ছে? চট করে মনে হলো, ওহ এটাও হলো চায়নিজ কর্তৃপক্ষের মিডিয়া/ প্রেস এসব নিয়ন্ত্রণের অংশ। নিজেদের মিডিয়ার বাইরে, অন্য দেশের মিডিয়া থেকেও যাতে কোন খবর বা গুজব , রটনা কিম্বা গজবের মুখোমুখি হতে না পারে চায়নার জনগণ তার জন্য এ ব্যবস্থা!

আবার মনে হলো চায়নার আজকের শনৈ শনৈ অর্থনৈতিক উন্নতি শুধু্‌ই তার বিশাল জনসংখ্যার কারণেই হয়নি, হয়েছে এই জনগোষ্ঠিটির মেধা আর বুদ্ধিবৃত্তির সক্ষমতার জন্যও। তারমানে ঘটনাটির পেছনে শুধুই কোয়ানটিটির কেরামতি আছে তা নয়, কোয়ালিটিটিভ ব্যাপারটাও একটা অতি বড় কারণ। ইউরোপ আমেরিকার বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যবসাও চলছে আজকাল চায়নিজ ট্যালেন্টে দিয়েই। বিশেষতঃ অংক, আর বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলোতে তাদের পারদর্শীতা আজ বহুলভাবে স্বীকৃত। অবশ্য জ্ঞান, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি আর কৃষ্টিতে চায়নার সুনামতো হাজার হাজার বছরের পুরানো ব্যাপার। আর তাইতো গত দু’দশক ধরে ইউরোপ আমেরিকার ছোট বড় আর মাঝারি কোম্পানিগুলো চায়নাকে সস্তা্‌য় তাদের পণ্য উৎপাদনের উর্বর ক্ষেত্র মনে করে বিনিয়োগ করলেও, ইদানিং এখানে তাদের গবেষণাগার স্থাপনের ব্যাপারেও হাত খুলছে আস্তে আস্তে। মানব সম্পদের মেধার জোরকে কতদিন আর অস্বিকার করে থাকা যায়?

ছেদ পড়লো চিন্তায়। শুরু করলাম কথা, নিজের সাথে নিজেই। আচ্ছা তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কতো; যে সেক্ষমহাসড়ক নয় যে দু’একটা গাছের গুড়ি ফেলে, দু’চার জায়গায় রাস্তা কেটে, কিছু টায়ার পুড়িয়ে বা ককটেল বোমা ফুটিয়ে ওটাতে ব্যারিকেড দেয়া যাবে? তার উপর যে জাতিটি তার মেধার জন্য শত সহস্র বছর ধরে পৃথিবী খ্যাত, ঐ রকম একটা বিস্তৃত খোলামেলা মহাসড়কে ঐ জাতিটির চলাফেরা বন্ধ রাখাতো চাট্টিখানি ব্যাপার নয়। নিশ্চয় তার জন্য এখানকার সরকারকে তোঘলকি রকমের কান্ড করতে হচ্ছে। অবশ্য ঐ মহাসড়কটির কারণে পৃথিবীর সবই দেশই আজ নতুন ধরণের নিরাপত্তা হুমকির মুখোমুখি যা মোকাবেলা করতে গিয়ে সবচেয়ে শক্তিধর দেশটিও খাচ্ছে হিমসিম। আর সব দেশ জানি ঐ নিরাপত্তার বিষয়টি মোকাবেলা করতে চাচ্ছে ভিন্নভাবে, মহাসড়কটিতে তেমন কোন ব্যারিকেড না দিয়ে বা দিলেও খুব অল্পমাত্রার ব্যারিকেড দিয়ে। কিন্তু এখানে এই চীনে সম্ভবত আছে সবচেয়ে কড়া মাত্রার ব্যারিকেড, তারপরও কিনা এখানকারই জ্যাক মা আলিবাবার চিচিং ফাক মন্ত্রে হয়ে গেলেন ই কমার্সের টাইকুন!

এমতাবস্থা্‌য় নিশ্চিত আমি, এখানকার কম্পিউটার জিনিয়াসরা প্রতিদিনই বের করে ফেলছে চোরাগোপ্তা কোন না কোন পথ, তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে উঠার। আর সেটা নজরদারি আর বন্ধ করার জন্য নির্ঘাত আছে সরকারী সাইবার নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী। সবার অলক্ষ্যে হয়তো চলছে এখানে বেজায় ইঁদুর দৌড় মেধার। কে জানে এভাবেই হয়তো এখানে খুলে যাচ্ছে নতুন কিছু আবিষ্কারের দরজা, যা হয়তো এক্ষেত্রে পশ্চিমা একাধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে দেবে একদিন। আবার মনে পড়লো দেশের কথা। ঐ যে কিছুদিন নিয়ন্ত্রিত ছিল আমাদের তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে যাতায়াত, তখন তরুণদের কেউ কেউ বের করে ফেলেছিল যে, ‘ভিপিএন’ নামের একটা অ্যাপ ডাউনলোড করে নিয়ে, ওটা দিয়ে অনায়াসে ঢোকা যায় এফ বি বা ট্যুইটারে। অনেকে করছিলও তা। নিরাপত্তার খাতিরে আমার অফিসের সব মোবাইল আর ল্যাপটপে ভি পি এন ছিল অনেক আগে থেকেই। অথচ আমার জানা ছিল না সেই একই ভিপিএন ব্যবহার করেই ঐ নিষিদ্ধ সময়ে কেউ কেউ ঢু মারছিল নানান সোশ্যাল মিডিয়ায়! জেনেছি পরে , যখন আবার খুলে দেয়া হয়েছিল সব। কারণ যারাই করছিল ঐ কাজ, করছিল তারা সংগোপনে।

বিদ্যুৎ চমকের মতো মনে পড়লো , আরে এখনতো আমি এটা জানি। তার উপর আমার মোবাইল আর ল্যাপটপ দুটোতেই ভিপিএনও আছে, দেখিনা তবে চেষ্টা করে , কাজ হয় কি না ওতে। আবার তুলে নিলাম মোবাইল হাতে, বিছানার পাশটেবিল থেকে। হাতে নিয়েই রেখে দিলাম ওটা স্বস্থানে সাথে সাথেই ; ভাবলাম নাহ মোবাইল না, চেষ্টা করে দেখি ল্যাপটপে। যথাসম্ভব শব্দ না করে , নেমে গেলাম বিছানা থেকে। সুপারসনিক যুগের সার্বক্ষণিক কানেক্টিভির কারণে, এই এক নতুন উপসর্গ যোগ হয়েছে জীবনে আমার। ছুটিতে কোথাও গেলেও সাথে নিয়ে ঘুরে বেড়াই অফিস , মানে ল্যাপটপ ; আর মোবাইলতো থাকেই অনিবার্য্যভাবে হাতে বা পকেটে। একশ ভাগ না হলেও মোবাইল আর ল্যাপটপ মিলিয়ে দরকারে যে কোন জায়গা থেকেই অফিসের কাজ করে ফেলা যায় ৬০/৭০ ভাগ। কখন কোন জরুরি দরকার পড়ে অফিসের, তাই সাবধানের মার নেই ভেবে বহন করে বেড়াই ওটা সাথে সাথে।

বিড়ালের মতো সন্তর্পণে ব্যাগ থেকে ল্যাপটপ বের করে ততোধিক সাবধানতায় গিয়ে বসলাম টেবিলে। সারাদিনের ভ্রমণ ক্লান্তিতে, বিছানায় পড়েই, গভীর ঘুমে এলিয়ে পড়েছিল মা আর ছেলে। কিছুতেই নষ্ট করা যাবে না তাদের এই ক্লান্তির ঘুমকে। টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে যথাসম্ভব কম শব্দ করে ল্যাপটপটিকে জীবন্ত করে তুললাম। টেবিলল্যাম্পটির আলো বেশ তীব্র, কিন্তু এমনভাবে ওটা ফিট করা ঐ আলো টেবিলের বাইরে গিয়ে আর পড়ছে না, অতএব ওদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে না ওতে। শুধু শুনশান নিঃশব্দ এই মাঝ রাতে সমস্যা হলো একটাই আর তা হলো শব্দ। খুট করে ল্যাপটপ খোলার শব্দকেও আমার কাছে মনে হচ্ছে পটকা ফোটার মতো আওয়াজ।

বিং, ইউরেকা ; হয়ে গেল কাজ। হ্যাঁ ঢুকতে পারলাম ফেসবুকে ল্যাপটপের ভিপিএন এর মধ্য দিয়ে। কিন্তু পেইজটা লোড হচ্ছে খুবই আস্তে। আজকাল অবস্থা এমন হয়েছে যে, মাউস ক্লিক করা মাত্র কম্পিউটার সাড়া না দিলে লাগে মহাবিরক্ত। ব্যাপারটা ওরকম না এক্ষেত্রে, ফেইসবুকের পেইজটা আসলেই লোড হচ্ছে থেমে থেমে, ধুঁকতে ধুঁকতে। তারপরও ফেললাম স্বস্তির নিঃশ্বাস, যে ক’দিন আছি চায়নায়, সে ক’দিন অনলাইনে না যেতে পারার কারণে যে হাঁসফাস ভাবটা হয় ওটা হবে না তাহলে। গরুর গাড়ীর ঢিমেতালের গতিতে বন্ধুদের স্ট্যাটাস, ছবি আর নিউজফেডের আসা নানা কিছু দেখে আর পড়ে মনে হলো পেলাম বুঝি দেশের হাওয়ার পরশ। কিন্তু কোন কিছুতে ক্লিক করলে ওটার রেসপন্স পেতে লাগছে সময় বেশ অনেক, তাই বিরক্তি এসে গেল কিছুক্ষণের মধ্যেই বউ বাচ্চা পরিবারসহ কোথাও গেলে নিরাপত্তা বিষয়ক ষষ্ঠ ইন্দ্রীয় আমার হয়ে উঠে অতিমাত্রায় সংবেদনশীল। আর এখনতো এসেছি এই চায় না , যেখানে ভাষা বিভ্রাট জাতীয় জটিলতার কথা চিন্তা করে আগে থেকেই ছিলাম অতি সতর্ক, তার উপর এয়ারপোর্টে নেমে চায়না বাংলার যৌথ উদ্যোগ মনকে করে তুলেছে আরো বেশী সন্দিহান। সন্দিহান মনের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় এসময় বললো আমায়, ‘কি করছো এসব, চোরাগোপ্তা পথে ঢুকেছো ফেসবুকে, যা নাকি নিষিদ্ধ এলাকা এখানে, দেখো সব কিছু ট্র্যাক হয়ে যাতে পারে কিন্তু’।

বহুদিন আগে মাসুদ রানা আর নানা ডিটেকটিভ বইয়ে পড়া আড়িপাতা যন্ত্রের কথা মনে হলো, তখনতো অবশ্য পৃথিবী অতো ডিজিটাল হয় নি, তাই ওগুলো সন্দেহভাজনের হোটেলের রুমে বা জামা কাপড়ে বসিয়ে দিত। এখনকার সময়ে হয়তো দেখা যাবে এখানকার সন্দেহবাতিক কর্তৃপক্ষ, নিজের অফিসে বসেই ট্র্যাক করছে কোথা থেকে ঢুকছে কে কোন সাইটে। আর এটাই যদি হয়, তবে এই মধ্যরাতেই যদি দরজায় পড়ে টোকা, তবে তো হয়ে যাবে কেলেংকারীর এক শেষ। তৎক্ষণাৎ ত্যাগ করলাম ফেসবুকের সীমানা। চুপচাপ শুয়ে পড়লাম নিঃশব্দে আবার। আকাশ পাতাল ভাবতে ভাবতে একসময় ঘুমিয়েও পড়লাম। একটু দেরিতেই ভাঙলো ঘুম সবার পরদিন। অতএব নাস্তা শেষে সবাইকে ঘুরতে বেরুনোর প্রস্তুতির জন্য রুমের দিকে পাঠিয়ে, এগুলাম আমি হোটেল উমভডধণরথণ ডেস্কের দিকে। এ ডেস্কের চাইনিজ যুবক বেশ ভালো ইংরেজি বলে। তার সাথে কথা বলে বুঝলাম , আমরা আছি কানমিংএর এক নম্বর দর্শনীয় স্থান, দিয়াঞ্চি লেইক এর একদম কাছেই। ওটা আছে মাত্র পাঁচ / দশমিনিটের হাঁটা দূরত্বে। আর মাইল তিন চার দূরে আছে একটা পাহাড়, হেঁটে ওটাতে উঠতে না চাইলে উঠা যাবে কেবল কা’রে করে। বেলা অনেক হয়ে গেছে তাই আপাতত কথা না বাড়িয়ে, ঠিক করে ফেললাম এখন যাবো সবাই দিয়াঞ্চি লেইকে, আর বিকেলে চড়া যাবে পাহাড়ে। এর মধ্যেই ধোপদুরস্ত স্মার্ট চাইনিজ যুবক মেলে ধরলো শহরের একটা ম্যাপ। খুব দ্রুততার সাথে বল পয়েন্ট কলম দিয়ে গোল গোল চিহ্ন এঁকে বোঝাতে চেষ্টা করলো এ মুহূর্তে আমাদের অবস্থান, আর তার থেকে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব বা পশ্চিমে কতদূরে কি আছে। দিককানা আমি তাই ম্যাপকানাও বটে, মনোযোগ দিলাম না খুব একটা তাই। আর দিলেও বা কি? যে দ্রুততার সাথেও দেখালো, ওটা মনে রাখতে লাগবে আইনষ্টাইন মার্কা মগজ।

আমি শুধু দেখলাম ম্যাপটার লেখাগুলো কোন ভাষায় লেখা। কারণ ইতোমধ্যেই বুঝে গেছি, চায়নায় , চাইনিজ লেখায় ঠিকানা না থাকলে হাতে, দুর্ভোগ আছে কপালে। ইংরেজিতে লেখা ম্যাপ আর চাইনিজ লেখা রাস্তার সাইনবোর্ড দেখে দেখে কোন ঠিকানা বের করার চেষ্টা হলো খড়ের গাঁদায় সুই খোঁজার চেয়েও দুরূহ ব্যাপার অন্ততঃ আমার মতো দিককানা লোকের জন্য। তাকে বললাম ভাই সব বুঝেছি, তুমি ভাই বরং আরো একটু কষ্ট করে এক টুকরা কাগজে দিয়াঞ্চি লেইকের নামটা চায়নিজে লিখে দাও। আমি জানি ম্যাপের চেয়ে ঐ কাগজটা রাস্তায় কাউকে দেখালেই সে বরং ঠিক ঠিক দেখিয়ে দেবে সঠিক রাস্তার হদিস। বিনা দ্বিধায় যুবক করলো তাই, সাথে আরো দিল চায়নিজে লেখা হোটেলের ঠিকানা সম্বলিত কার্ড, যাতে ঠিক ঠিক ফিরে আসতে পারি হোটেলে। তার মানে ইংরেজিতে লেখা ঠিকানায় যে আসলে খুব একটা কাজ হয় না এটা ওরা ভালই জানে। তাই গাদা গাদা চাইনিজে লেখা হোটেলের ঠিকানা কার্ড ছাপিয়ে রেখেছে আগে থেকেই। ম্যাপটা ভাজ করে পকেটে ঢুকিয়ে আর চায়নিজে লেখা ঠিকানা আর কার্ডগুলো হাতে নিয়ে, হাঁটা দিলাম রুমের দিকে। কারণ বেরুতে হবে তাড়াতাড়ি।

লেখক : প্রাবন্ধিক, সংগঠক

LEAVE A REPLY