হিন্দি ছবির সাদাকালো পর্দায় সোনালি ঝলক দেখিয়ে ভক্তদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। ৪৮ বছর আগে না ফেরার দেশে চলে যেতে হয় তাকে। কথা হচ্ছে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুবালাকে নিয়ে। এই প্রজন্মের সিনেপ্রেমীদের কাছেও তার আকর্ষণে ভাটা পড়েনি। সোনালি সেই ঝলক নিয়ে আবার ফিরে এসেছেন মধুবালা, তবে বাস্তবে নয়, মোমের অবয়বে।

বৃহস্পতিবার দিল্লির মাদাম তুসোর মিউজিয়ামে উদ্বোধন হয়েছে মধুবালার মোমের মূর্তি। অভিনেত্রীর জনপ্রিয় ছবি ‘মুঘলআজম’এর ‘আনারকলি’ রূপেই তৈরি করা হয়েছে মূর্তিটি। ‘মোহে পানঘাট পে’ গানের একটি দৃশ্যকে মূর্তির রূপ দেওয়া হয়েছে। মূর্তি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মধুবালার বোন মধুর ব্রিজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মধূরকে প্রশ্ন করা হয় বোন মধুবালার জীবনী নিয়ে ছবি নির্মিত হলে তাতে অভিনয় করবেন কিনা? জবাবে মধূর জানান, ‘একটা সময় ছিলো যখন আমি মধুবালার চরিত্রে অভিনয় করতে চাইতাম। কিন্তু আমি এখন চাই এ চরিত্রে কারিনা কাপুর খানকে নেওয়া হোক। কেননা তার মধ্যেও মধুবালার মতো চঞ্চলতা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি একজন অসাধারণ অভিনেত্রীও বটে।’ এ সময়ের অভিনেত্রীদের মধুবালার কাছ থেকে চারিত্রিক দৃঢ়তা ও ধৈর্য্যশীলতা শেখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন মধুর।

এদিকে বোনের সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করে মধুর বলেন, ‘মধুবালা খুব সাধারণ একজন মানুষ ছিলেন। তিনি ঘরের বড় ছিলেন কিন্তু কখনও কারও ওপর হুকুম চালাননি। এমনকি তিনি ছবিতে অভিনয়ের জন্য আমাদের উৎসাহিত করতেন।’ ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন মধুবালা। হিন্দি চলচ্চিত্রে নারী তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। ১৯৪২১৯৬২ সাল পর্যন্ত অভিনয় জগতে রাজত্ব করেছেন। অভিনয় করেছেন ‘মহল’ (১৯৪৯), ‘অমর’ (১৯৫৪), ‘চালতি কে নাম গাড়ি’ (১৯৫৮), ‘মুঘলআজম’ (১৯৬০) ও ‘বারসাত কি রাত’ (১৯৬০) সহ অগণিত সাড়াজাগানো

LEAVE A REPLY